চলছে দেশের সর্ববৃহৎ ই-স্পোর্টস টুর্নামেন্ট ডি১ কাপ

5

সৃজনশীল মাধ্যম হিসেবে ই-স্পোর্টস ইতোমধ্যে বিশ্বজুড়ে গেমিং উত্সাহীদের নজর কেড়ে নিয়েছে। পিছিয়ে নেই বাংলাদেশও। দেশের তরুণ, প্রাপ্তবয়স্ক এমনকি পেশাদার কর্মজীবীদের কাছেও ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ই-স্পোর্টস।

ভক্তদের চাহিদা বিবেচনায় গত ১১ জুন শুরু হয়েছে ডি১ কাপ বাংলাদেশ ২০২২ (ই-স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ)। এ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ৪০ লাখ ৫০ হাজার টাকার বিশাল প্রাইজপুলের ঘোষণা দিয়েছে প্রতিযোগিতাটির টাইটেল স্পন্সর ডিসকভারি ওয়ান লিমিটেড।


সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডেকো-ইশো ভেঞ্চার ক্যাপিটালের সিইও প্রত্যয় হোসেন, ডেকো-ইশো ভেঞ্চার ক্যাপিটালের সিওও মো. মাসুদুর রহমান, প্যারামাউন্ট ভেঞ্চার ক্যাপিটালের সিইও সাদাব হোসেন, লেভেল সেভেন সলিউশনস লিমিটেড ও জেনেটিক ইস্পোর্টসের সিইও মো. অলিউর রহমান সোহান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত আয়োজকরা ই-স্পোর্টস গেমিং সম্পর্কে তাদের মতামত প্রকাশ করেন। বাংলাদেশে ই-স্পোর্টসের জন্য একটি মাইলফলক স্থাপন করা এবং এই সেক্টরে দেশের অগ্রগতি তরান্বিত করাই এই আয়োজনের উদ্দেশ্য।

টুর্নামেন্ট প্রসঙ্গে ডেকো-ইশো ভেঞ্চার ক্যাপিটালের সিইও প্রত্যয় হোসেন বলেন, বাংলাদেশে এত বড় পরিসরে এর আগে কোনো ই-স্পোর্টস টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়নি। দেশের গেমারদের এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দিতে পেরে আমরা ভীষণ আনন্দিত। আমার বিশ্বাস, এই টুর্নামেন্ট থেকে অসংখ্য তরুণ ও প্রতিভাবান গেমারদের আমরা খুঁজে পাবো।

প্যারামাউন্ট ভেঞ্চার ক্যাপিটালরে সিইও সাদাব হোসেন বলেন, ই-স্পোর্টসের আলোকেও যে ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব, তা এর আগে হয়তো কেউ ভাবেননি। তবে এই টুর্নামেন্ট তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ গঠনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি। ডি১ কাপ, বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ ল্যান টুর্নামেন্ট হতে চলেছে।


চ্যাম্পিয়নশিপে তিনটি জনপ্রিয় ই-স্পোর্টস গেম অন্তর্ভুক্ত থাকবে। গেমগুলো হলো, ডিওটিএ ২/ডোটা ২ (DOTA 2), ভ্যালোরেন্ট (Valorant) এবং মোবাইল লিজেন্ডস : ব্যাং ব্যাং (এমএলবিবি)। এর মধ্যে প্রথম দুটি কম্পিউটারভিত্তিক গেম। এমএলবিবি একটি মোবাইল গেম। তিনটি খেলায় মোট ৪০ লাখ ৫০ হাজার টাকার বিশাল প্রাইজপুলের অর্থ দেওয়া হবে। পুরস্কারের অর্থ ছাড়াও, প্রত্যেক পুরস্কারপ্রাপ্ত দল ও খেলোয়াড়কে ট্রফি এবং অন্যান্য আকর্ষণীয় পুরস্কারও দেওয়া হবে।

এই ইভেন্টের নিবন্ধন এবং বাছাই পর্ব অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনলাইন কোয়ালিফায়ার অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৪ জুন। জুলাই-এর শেষ সপ্তাহে একটি অফলাইন ভেন্যুতে গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হবে।