পরীক্ষায় নকল করায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৭ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

36

পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের (নকল করা) দায়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজের ২০২০ সালের অনার্স প্রথম বর্ষের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৬৭ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে।

রোববার (৯ মে) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বদরুজ্জামানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা শৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্তক্রমে ও একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদন সাপেক্ষে বিভিন্ন কলেজ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ/ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, কক্ষ পরিদর্শক ও পরিদর্শক/প্রধান পরীক্ষক/পরীক্ষক কর্তৃক বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত এসব পরীক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি আরোপ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অপরাধ ধারা ‘ঘ’ অনুযায়ী মোট ২৪ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদের সংশ্লিষ্ট বছরের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। ‘ঙ’ ধারায় মোট ২৬ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদের সংশ্লিষ্ট বছরের পরীক্ষা বাতিলসহ পরবর্তীসময়ে এক বছর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।

আর ‘ছ’ ধারায় মোট তিনজনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বছরের পরীক্ষা বাতিলসহ পরবর্তীসময়ে এক বছর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না তারা। এছাড়া ‘ঢ’ ধারায় মোট আটজনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদের সংশ্লিষ্ট বছরের পরীক্ষা বাতিলসহ পরবর্তীসময়ে দুই বছর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।

এ বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বদরুজ্জামান সোমবার জাগো নিউজকে বলেন, বিভিন্ন কলেজে আয়োজিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনার্স প্রথম বর্ষের পরীক্ষায় যে সব
শিক্ষার্থী অসাধু পথ অবলম্বন করার চেষ্টা করে ধরা পড়েছে। শিক্ষকরা তাদের বহিষ্কারসহ নানা ধরনের শাস্তি নির্ধারণ করে আমাদের কাছে তাদের উত্তরপত্র পাঠিয়েছে। আমরা সেসব শিক্ষার্থীদের শাস্তি নির্ধারণ করে একটি নির্দেশনা জারি করেছি।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের বহিষ্কার একটি নিয়মিত রুটিন কাজ। যারা পরীক্ষায় অসাধুপন্থা অবলম্বন করার চেষ্টা করে তাদের হল পরিদর্শক বা শিক্ষকরা চিহ্নিত করে সেসব উত্তরপত্র জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠায়। পরে আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কলেজে চিঠি পাঠাই। এর ধারাবাহিকতায় ২০২০ শিক্ষাবর্ষের অনার্স প্রথম বর্ষের ৬৭ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। গত ২৮ এপ্রিল এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হলেও তা রোববার সেটি কলেজে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।