ফেনীতে ডাকাতির মামলায় ৯ জনের কারাদণ্ড

2

ফেনীর ছাগলনাইয়ায় ১৯ বছর আগের একটি ডাকাতির মামলায় ৯ জনের ৭ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে সাত হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

গত সোমবার বিকেলে ফেনীর যুগ্ম দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রোকন উদ্দিন কবির এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন ছাগলনাইয়া উপজেলার পাঠানগড় এলাকার মো. ইসহাক ভূঁইয়ার ছেলে আনিসুল হক, আবদুস সাত্তার সওদাগরের ছেলে জাহাঙ্গীর মিস্ত্রি, পাঠানগড় এলাকার মফিজ উদ্দিনের ছেলে সাইফুল ইসলাম, দক্ষিণ সতর এলাকার ফয়েজ আহাম্মদের ছেলে মো. হানিফ, কাশিপুর এলাকার আবদুস কুদ্দুসের ছেলে নিজাম উদ্দিন, ফেনী সদর উপজেলার মোটবী ইউনিয়নের রুহুল আমিনের ছেলে মহিউদ্দিন, ফেনী পৌরসভার বারাহীপুর এলকার মমতাজ উদ্দিনের ছেলে সিরাজুল ইসলাম, দাগনভূঁঞা উপজেলার কৃষ্ণরামপুর এলাকার আজিজুর রহমানের ছেলে তোফাজ্জল হোসেন ও সত্যপুর এলাকার লকিয়ত উল্যার ছেলে মহিউদ্দিন সাইফুল।

আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৩ সালের ২২ জানুয়ারি ছাগলনাইয়া পৌর শহরের দক্ষিণ সতর নদীরকূল এলাকার হাজী মন্তু মিয়ার বাড়িতে ডাকাতি হয়। এ সময় ডাকাত দল ২৫ হাজার টাকাসহ প্রায় ৯৩ হাজার টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় মন্তু মিয়া বাদি হয়ে ছাগলনাইয়া থানায় একটি মামলা করেন। একই বছরের ২৭ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছাগলনাইয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন আহমেদ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে ২০০৪ সালের ১৮ মে মামলার অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

আদালতের সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) এনামুল করিম খোন্দকার বলেন, রায় ঘোষণার সময় শুধু জাহাঙ্গীর মিস্ত্রি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মামলার অন্য আট আসামি পলাতক। রায় ঘোষণার পর জাহাঙ্গীরকে ফেনী জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার বা আত্মসমর্পণের পর মামলার অন্য আসামিদের দণ্ড কার্যকর হবে। এ মামলায় মোট ১৩ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।