স্কুলছাত্র সানাউল্লা হত্যা: হাইকোর্টে আপিলের রায় আজ

3

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় প্রেমের সম্পর্কের জেরে স্কুলছাত্র সানাউল্লা সরকার হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তদের আপিলের বিষয়ে হাইকোর্টের রায় ঘোষণা করা হবে আজ।

মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) হাইকোর্টের বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ ও বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমানের সমন্বয়ে গঠিত অবকাশকালীন বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করা হবে।


এর আগে গত ২২ মার্চ এ মামলার আপিলের ওপর শুনানি শেষ হয়। এর পর রায় ঘোষণার জন্য আজ (২৯ মার্চ) দিন ঠিক করেন হাইকোর্ট।

বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ।

আদালতে সেদিন আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আবুল হোসেন ও গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ।

মামলার বিবরণে জানা গেছে,যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আনোয়ারা বেগমের মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ও পারিবারিক বিরোধের জেরে উপজেলার ঘাগটিয়া গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে সানাউল্লা সরকারকে ২০০১ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই আসাদুজ্জামান বাদী হয়ে কাপাসিয়া থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দায়ের করে।


এরপর বিচার শুরু হলে দীর্ঘ শুনানি ও উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ২০১৬ সালের ৯ আগস্ট গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক ফজলে এলাহী ভূঁইয়া রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত। একই সঙ্গে সব আসামিকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- উপজেলার ঘাগটিয়া গ্রামের রফিকুল ইসলাম, আতিকুল ইসলাম, আলম শেখ, সেলিম শেখ, নয়ন শেখ ও আনার হোসেন শেখ। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিতরা হলেন- আনোয়ারা বেগম, আব্দুল মোতালেব ও শেখ শামসুদ্দিন।

পরে নিয়ম অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি আসামিরা জেল আপিল ও আপিল আবেদন করেন।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ বলেন, বিচারিক আদালতে রায়ের পর আনোয়ারা বেগম ও আলম শেখ মারা গেছেন।