রাজধানীর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের করোনার দ্বিতীয় ডোজ টিকাদান শুরু

2

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে বিশেষ ক্যাম্পাইনে রাজধানীর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ব্যবস্থাপনায় শনিবার (১২ মার্চ) রাজধানীর উত্তরার প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষকে টিকা দেওয়া হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় পর্যায়ক্রমে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ২৭ মার্চ পর্যন্ত চলবে এ কর্মসূচি।

এদিন উত্তরার ফ্রেন্ডসক্লাব মাঠে সিনোভ্যাকের দ্বিতীয় ডোজ টিকা দিয়ে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম ডোজ টিকার রেজিস্ট্রেশন ফরম দেখে দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। সকাল ১১টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলে এ কার্যক্রম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- উত্তরার ফ্রেন্ডসক্লাব মাঠে ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হাবিব হাসান, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রোগ্রাম অফিসার ডা. মাহমুদা আলী, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কোভিড-১৯ কার্যক্রমের অপারেশন কো-অর্ডিনেটর রেজওয়ান নবীন ও বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি উত্তরের সভাপতি মোহাম্মদ আলী।

মোহাম্মদ হাবিব হাসান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে করোনার দ্বিতীয় ডোজ টিকার ওপরে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। এ কর্মসূচির পরও যদি উত্তরার কেউ টিকা না পেয়ে থাকেন, তাদের আসন্ন রমজানের ঈদের আগেই টিকার আওতায় আনা হবে।

সোসাইটির কোভিড-১৯ কার্যক্রমের অপারেশন কো-অর্ডিনেটর রেজওয়ান নবীন বলেন, রেড ক্রিসেন্টের ব্যবস্থাপনায় পুরো ঢাকার ত্রিশ হাজারের মতো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও তাদের কর্মচারীদের করোনার প্রথম ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। আজ শুধু উত্তরার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের টিকা দেওয়া হয়েছে। এরপর পর্যায়ক্রমে রাজধানীর মিরপুর, সিদ্ধেশ্বরী, নিউমার্কেট, যাত্রাবাড়ী ও পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

কোকাকোলা ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ও বাংলাদেশ দোকান-মালিক সমিতির উদ্যোগে মাসব্যাপী এ টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রশিক্ষিত একশ জন ভ্যাক্সিনেটর ও দুইশ জন দক্ষ স্বেচ্ছাসেবক।

দেশের সব শ্রেণির পেশার মানুষকে করোনা টিকার আওতায় আনতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় গত ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে রাজধানীর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের করোনা টিকার এ ক্যাম্পেইন শুরু হয়।