চমেক হাসপাতালে ওষুধের গরমিল পেয়েছে দুদক

30

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করে ওষুধের তথ্যের গরমিল পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) বেলা ১১টা থেকে হাসপাতালে ডিসপেন্সারি ও বিভিন্ন ওয়ার্ডে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বিকেল সোয়া ৩টার দিকে অভিযান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর উপ-পরিচালক মো. নাজমুচ্ছায়াদাত।

তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বলেন, দুদকের হটলাইন ১০৬ এর আসা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এনফোর্সমেন্ট চালানো হয়। এখানে আমরা হাসপাতালের ওষুধের স্টোরের রেজিস্ট্রার পরিদর্শন করেছি। স্টোরে ওষুধ আনা-নেওয়ার হিসাব স্যাম্পল হিসেবে মিলিয়ে দেখার চেষ্টা করেছি। ওষুধের হিসাবে গরমিল পাাওয়া গেছে। বিশেষ করে ওয়ার্ড থেকে রোগীর চাহিদা দেখিয়ে ওষুধ সরবরাহ দেওয়া হলেও পরে ওষুধগুলো রোগী পেয়েছে কি না, সে বিষয়টি সমন্বয় করা হয়নি।

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ওষুধের হিসাবের গরমিল পাওয়া গেছে। আমরা এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানবো। এখানে স্টোর থেকে ওষুধ ওয়ার্ডে সরবরাহ দেওয়ার কতদিন পর স্টোরে হিসাব সমন্বয় করা হয়। তবে স্টোরের লোকজন তাদের জনবলের স্বল্পতার কথা জানিয়েছেন। লোকবলের অভাবে নাকি তারা সময়মতো চালানপত্রগুলো রেজিস্ট্রারে পোস্টিং দিতে পারেনি। তারপরও স্টোর থেকে ওষুধ বের হওয়ার পর কতদিন পর্যন্ত স্টক সমন্বয় করা যাবে, সে বিষয়টি কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাইবো। কারও গাফিলতি কিংবা দুর্নীতি পাওয়া গেলে সে বিষয়ে আমরা কমিশনকে লিখিতভাবে অবহিত করবো।


অভিযানে কার্যালয়ে সংযুক্ত উপ-পরিচালক আবু সাঈদ ও সহকারী পরিচালক এনামুল হকসহ বেশ কয়েকজন অংশ নেন। এনফোর্সমেন্ট টিম ওষুধ স্টোরবাদেও বেশ কয়েকটি ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন ও রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন।