সকল চাকুরিতে প্রবেশের বয়স ৫০ করার দাবি

74

বাংলাদেশ মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যবসায়ী এসোসিয়েশনের সভাপতি  ও  জনস্বার্থ রক্ষা জাতীয় কমিটির আহবায়ক  আমিনুল ইসলাম বুলু গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলেন নির্বাচন কমিশনার যদি ৫০ বছর বয়সে হতে পারে তাহলে সরকারি চাকুরিতে কেন ৫০ বছরে যোগদান করতে পারবে না। তাই সকল চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৫০ করার দাবি জানান ।  সরকারি ছাড়াও আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানেও একই বয়সসীমা অনুসরণ করা হয় কেন ? বুলু আরো বলেন –  চাকুরি দিতে না পারলে  শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী শিক্ষিত বেকারদের জন্য বেকার ভাতা দিতে হবে। যেমন- এসএসসি, এইচএসসি, বিএ, অর্নাস, মাষ্টার্স (সমমান) শেষ করার পর বেকারদের জন্য পর্যায়ক্রমে বেকার ভাতা চালু করতে হবে। তিনি বলেন- আমাদের দেশে অধিকাংশ শিক্ষার্থী এসএসসি, এইচএসসি, বিএ, অর্নাস, মাষ্টার্স (সমমান) শেষ করে চাকুরি না পেয়ে বেকারত্বের বোঝা নিয়ে সমাজে বসবাস করছে।

তারা অন্যের বোঝা হয়ে আছে। যা অত্যন্ত লজ্জার। সরকারের প্রতি দাবি জানিয়ে বুলু বলেন এসব বেকারদের কে শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী চাকুরি দিতে হবে। চাকুরি দেওয়ার সময় মেধা যাচাইয়ের নামে পরীক্ষা, ইন্টারভিউ, মৌখিক পরীক্ষার পদ্ধতি বাতিল করে জিপিএ এর ভিত্তিতে চাকুরির ব্যবস্থা করতে হবে। উদাহরণ স্বরূপ বর্তমানে বিভিন্ন কলেজ/ বিশ্ববিদ্যালয়ে জিপিএ এর ভিত্তিতে ভর্তি করা হয়।

দেশের সমস্ত শিক্ষিত লোকদেরকে যেকোন বয়সে সরকারি চাকুরির সুযোগ দিতে হবে। বয়স নির্ধারন পদ্ধতি ৩০/৩২ বাতিল করা দরকার কারন সবাই চায় সরকারি চাকুরির স্বাদ গ্রহণ  করতে তাই আধুনিকতা ও নাগরিক স্বাধীনতার  কথা চিন্তা করে  ৫০ বছর বয়সে একজন নাগরিক সরকারি চাকরিতে যোগ দিতে পারে তার দাবি জানান ।