বোর্ডের বিরুদ্ধে আইনী লড়াইয়ে প্রোটিয়া তারকা

6

নিজ দেশের ক্রিকেট বোর্ডের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক তারকা অলরাউন্ডার ভারনন ফিল্যান্ডার। কেন্দ্রীয় চুক্তির একটি ধারা বোর্ডের তরফ থেকে যথাযথ পালন না করায় এ পদক্ষেপ নিয়েছেন ৩৬ বছর বয়সী এ তারকা।

২০২০ সালের জানুয়ারিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ান্ডারার্স টেস্ট খেলে অবসর নিয়েছেন ফিল্যান্ডার। তার আগে ১৩ বছরের ক্যারিয়ারে দক্ষিণ আফ্রিকার জার্সিতে খেলেছেন ১১১টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ। টেস্ট ক্রিকেটে দ্বিতীয় দ্রুততম বোলার হিসেবে ৫০ উইকেট শিকারের রেকর্ড রয়েছে তার।

ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকার (সিএ) বিরুদ্ধে ফিল্যান্ডারের অভিযোগের মূল কারণ হলো ক্যারিয়ারের শেষ দিকে চুক্তির প্রতিশ্রুতি মোতাবেক অর্থ সম্মান দেওয়া হয়নি তাকে। এ কারণেই মূলত বোর্ডকে কোর্টে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ফিল্যান্ডার।

২০১৮ সালের দিকে বেশিরভাগ খেলোয়াড় যখন কলপাক চুক্তিতে ইংল্যান্ডে চলে যাচ্ছিল তখন জাতীয় দলের হয়েই খেলার সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন এ ডানহাতি পেসার। এজন্য নতুন কেন্দ্রীয় চুক্তিতে তাকে বাড়তি অর্থ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সিএ।

কিন্তু কিছুদিন পরই নিজেদের প্রতিশ্রুতি থেকে সরে দাঁড়ায় ক্রিকেট বোর্ড। যা এখনও পাননি ফিল্যান্ডার। দক্ষিণ আফ্রিকান সংবাদ মাধ্যমে এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন তিনি।

ফিল্যান্ডার বলেছেন, ‘২০১৮ সালে শ্রীলঙ্কা সফরের সময় সিএ খুবই চিন্তিত ছিল খেলোয়াড়দের নিয়ে। কারণ কলপাক চুক্তিতে কাইল অ্যাবট, মার্চেন্ট ডি ল্যাঙ্গে, ওয়েন পারনেলের মতো বোলারদের আমরা হারিয়ে ফেলেছিলাম। মরনে মরক্যালও সারেতে যোগ দেওয়ার জন্য অবসর নিয়ে নেয়।’

‘ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকা এটি জানতো যে, আমার কাছেও বেশ কয়েকটি কাউন্টির কাছ থেকে ভালো অঙ্কের প্রস্তাব ছিল। তাই কোরি ফন জাইল (সিএ’র তৎকালীন ক্রিকেট পরিচালক) শ্রীলঙ্কা গিয়ে আমাকে জানায় যে, যদি জাতীয় দলের হয়ে খেলতে থাকি তাহলে আমার চুক্তি বাড়ানো হবে।’

‘সেই বৈঠকের পর আমি আমার এজেন্ট আর্থুর টার্নারকে ফোন করে বলি যে নতুন প্রস্তাবে আমি খুশি এবং দক্ষিণ আফ্রিকার হয়েই খেলবো। পরের মৌসুমে আমাকে নতুন চুক্তির অর্থই পারিশ্রমিক দেওয়া হয়। কিন্তু পরের বছর তারা এটি দিতে অস্বীকৃতি জানায়।’

‘তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আমি ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলি না বিধায় আমাকে আগের চুক্তিতে বলা অর্থ দেওয়া সম্ভব নয়। অথচ এর সঙ্গে আমার চুক্তির কোনো সম্পর্ক ছিল না। তারা আমাকে র্যাংকিং সিস্টেমের কথা জানায়। অথচ তখন আইসিসি টেস্ট র্যাংকিংয়ে আমার উন্নতিই হয়েছিল।’