ইউনিয়নকে ভিত্তি ধরে জনশুমারির দাবি বাংলাদেশ কংগ্রেসের

29

দেশের জনসংখ্যা ও গৃহগণনার জন্য ইউনিয়নগুলোকে ভিত্তি ধরার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ কংগ্রেস। এক্ষেত্রে প্রতিটি ইউনিয়নে একজন পরিসংখ্যান কর্মকর্তা নিয়োগের পরামর্শ দিয়েছে দলটি।

সোমবার (৩১ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ইয়ারুল ইসলাম এ দাবি জানান।

তিনি বলেন, বিদ্যমান জনসংখ্যা নির্ণয় পদ্ধতিতে ব্যাপক দুর্নীতি ও অপচয় হয়। ইউনিয়ন পর্যায়ে পরিসংখ্যান কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে সব ধরনের পরিসংখ্যানকে ডিজিটালাইজড করলে পুরো প্রক্রিয়াটি আরও সহজ ও সাশ্রয়ী হবে এবং সময়ও কম লাগবে।

অ্যাডভোকেট ইয়ারুল ইসলাম বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডের জনসংখ্যা আলাদাভাবে নির্ণয়ের মাধ্যমে এক সপ্তাহে একটি ইউনিয়নের জনসংখ্যা নির্ণয় সম্ভব। ইউনিয়ন ও পৌরসভা ও উপজেলার সংখ্যার ভিত্তিতে জেলাসমূহের জনসংখ্যা নির্ণয় করতে হবে। এক্ষেত্রে সফটওয়্যার ও অ্যাপ ব্যবহার করে দেশের প্রতিদিনের জনসংখ্যা নির্ণয় করা সম্ভব।

বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব বলেন, সারাবিশ্বে কয়জন করোনা আক্রান্ত সেটা প্রতি মুহূর্তে গুগল সার্চ দিয়ে জানা যাচ্ছে। একই পদ্ধতিতে বাংলাদেশের কোথায় কত লোকসংখ্যা সেটা জানার ব্যবস্থা থাকতে হবে।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, এবারকার জনশুমারি ও গৃহগণনায় ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৭৬১ কোটি ৭৯ লাখ টাকা এবং সময় ধরা হয়েছে এক মাস। এ জন্য প্রায় ৪ লাখ অস্থায়ী লোক নিয়োগ দেওয়া ও সমান সংখ্যক ট্যাব কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু কাজ শেষে ট্যাবগুলো কী কাজে কারা ব্যবহার করবে তার কোনো নির্দেশনা নেই।

এই আইনজীবী আরও বলেন, জনশুমারি ও গৃহগণনার নামে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় না করে ইউনিয়ন পর্যায়ে স্থায়ী পরিসংখ্যান কর্মকর্তা নিয়োগ দিলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় ব্যয় কমবে। উক্ত পরিসংখ্যান কর্মকর্তারা লোকসংখ্যা ও গৃহগণনা ছাড়াও ভোটার তালিকা প্রণয়ন, জন্ম-মৃত্যুর তথ্য, কৃষিশুমারি, কলকারখানা, ভূমি, জলাশয়সহ যাবতীয় তথ্য সংগ্রহের কাজ করবেন, যা রাষ্ট্রের সার্বিক ব্যয় কমাবে।