কিবরিয়া হত্যার অভিযোগপত্রে ভুল ছিল: রেজা কিবরিয়া

9

সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে ও বাংলাদেশ গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়া বলেছেন, আমরা বারবার বলে আসছি এ হত্যাকাণ্ডের আসল মদতদাতা কে, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত গ্রেনেডের উৎস কি, এ দুটি প্রশ্নের উত্তর বের করতে। কিন্তু এ বিষয়ে তদন্তকারীদের আগ্রহ ছিল কম, ছিল রাজনৈতিক হস্তক্ষেপও। এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তিনটি অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। তিনটিতেই ছিল ভুল। এর একটির সঙ্গে আগেরটির কোনো সম্পর্ক নেই।

শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) বনানী কবরস্থানে আয়োজিত দোয়া মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। দোয়া মোনাজাত শেষে কিবরিয়া হত্যার সুষ্ঠু বিচার দাবিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন রেজা কিবরিয়া। এসময় রেজা কিবরিয়া ছাড়াও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

রেজা কিবরিয়া বলেন, আমাদের দল ক্ষমতায় গেলে কিবরিয়া হত্যাসহ সব হত্যাকাণ্ডের বিচার করবো। যারা তদন্ত হতে দেয়নি এবং প্রভাবিত করেছে তাদেরও বিচারের আওতায় আনা হবে।

গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব ভিপি নুরুল হক নুর বলেন, ‘যদি ৪৩ বছর পর বঙ্গবন্ধু ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হতে পারে তাহলে শাহ এ এম এস কিবরিয়াসহ অন্যান্য হত্যারও বিচার করা হবে। এত বছরে কিবরিয়া সাহেবের হত্যার বিচার না হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।

গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম সদস্য সচিব আতাউল্লাহর সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন গণঅধিকার পরিষদের রাশেদ খান, ফারুক হাসান, মাহফুজুর রহমান, ডা. শাহ আজাদ, যুবঅধিকারের মনজুর মোরশেদ, তারেক রহমান ও শ্রমিক অধিকারের আব্দুর রহমান।

সাবেক অর্থমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডের ১৭ বছর পূর্ণ হলো আজ ২৭ জানুয়ারি। এ দীর্ঘ সময়েও হত্যা মামলাটির বিচারকাজ শেষ হয়নি। ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বৈদ্যের বাজারে ঈদ–পরবর্তী আওয়ামী লীগের এক জনসভা শেষে বের হওয়ার পথে গ্রেনেড হামলায় গুরুতর আহত হন শাহ এ এম এস কিবরিয়া। চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। ওই হামলায় তার ভাতিজা শাহ মঞ্জুরুল হুদা, আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা আবদুর রহিম, আবুল হোসেন ও সিদ্দিক আলী নিহত হন। আহত হন ৭০ জন।