‘হুদা কমিশন আলু-পটলের ব্যবসা করে নাকি?’

11

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার সঙ্গে সততা ও সত্যতার কোনো সম্পর্ক নেই বলে মন্তব্য করেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার।

এর আগে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সুজন সম্পাদকের বিরুদ্ধে কোটি টাকা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরেন সিইসি।

এর পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) বিকালে জাগো নিউজকে এ কথা বলেন বদিউল আলম মজুমদার।

তিনি বলেন, হুদা কমিশন ব্যবসা করে না কি? আমার তো জানা ছিলো না নূরুল হুদা কমিশন ব্যবসা করে। আলু-পটলের ব্যবসা করেন না কি ওনারা? আর আমরা কি আলু-পটলের ব্যবসা করি? এই ভদ্রলোকের সঙ্গে সততা-সত্যতার কোনো সম্পর্ক নেই। আমি কিসের নিয়োগ চাইবো নির্বাচন কমিশনে, হাস্যকর বিষয়।

কোনো কাজ পেতে সিইসি নূরুল হুদার সঙ্গে সাক্ষাত করেছেন কি না জানতে চাইলে সুজন সম্পাদক বলেন, কোনো একটা প্রমাণ দেখাক। তিনি নিয়োগ পাওয়ার পর আমার সঙ্গে দেখা হয়েছে হাফিজ উদ্দিন খানসহ কমিটির অনেক সিনিয়র সদস্যদের নিয়ে। আমরা হলফনামা নিয়ে যে বইটা ছাপি সেটার কপি দিয়ে এসেছি। এছাড়া ওনার (সিইসি) সঙ্গে আরেকবার দেখা হয়েছে কলম্বোতে। সেখানে আমরা বেশ কয়েকজন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন ছিলেন। সেখানে আমরা ওনাকে সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলেছি। নির্বাচন কমিশন কি কোনো লোককে নিয়োগ দেয়? বই দিতে গিয়েছি। তখন আমাদের কমিটির অনেকে ছিলেন।

কোটি টাকা অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, এগুলোর কোনো সত্যতা নেই। আমরা আগের কমিশনের সঙ্গে কিছু কাজ করেছি। ওই কয়েক লাখ টাকা। ওই টাকার সব হিসাব দেওয়া আছে। হুদা সাহেব, সাখাওয়াত সাহেবকে জিজ্ঞেস করেন। তারা একটা প্রকল্পের অধীনে এটি করেছে। ওনার (সিইসি) কাছে প্রমাণ থাকলে প্রমাণ দিক। উনি আজকে প্রমাণ দিলেন না কেন?

তিনি আরও বলেন, আমরা বহু কষ্ট করে, বহু কাঠখোড় পুড়িয়ে কেন্দ্রভিত্তিক তথ্য চেয়েছিলাম, এবং প্রমাণ হয়েছে এগুলো সব জালিয়াতি। সেখানে নির্বাচনের বানোয়াট সব তথ্য ছিলো। ২১৩ সেন্টারে যে শতভাগ ভোট। ১২টা কেন্দ্রে বিএনপি শূন্য ভোট, আওয়ামী লীগ ছয়শ’ সেন্টারে পেয়েছে শতভাগ ভোট এগুলো আমরা দেখেছি। এসব তথ্য তারা দিতে চাননি, আমরা এসব বের করেছি।