২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ‘ঘুঘুর ফাঁদ’ দেখা শুরু করেছি: তৈমুর

2

‘ঘুঘু’ আর ‘ঘুঘুর ফাঁদ’ নিয়ে দুই পক্ষের বাগযুদ্ধের রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও ঘুঘুর ফাঁদের প্রসঙ্গ তুললেন নায়ারণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার।

তিনি ‘ঘুঘুর ফাঁদ’ দেখা শুরু করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন।

ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে নির্বাচনে চাপ সৃষ্টির অভিযোগ তুলে স্বতন্ত্র মেয়রপ্রার্থী তৈমূর বলেছেন, আওয়ামী লীগের একজন দায়িত্বশীল কেন্দ্রীয় নেতা নারায়ণগঞ্জে শোডাউনে এসে বলেছেন, তৈমূর ঘুঘু দেখেছেন, ঘুঘুর ফাঁদ দেখেননি। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আমাকে রেজাল্ট দেখাবেন বলে হুমকি দিয়েছেন। এই ঘোষণার ২৪ ঘণ্টা পার না হতেই আমি ঘুঘু এবং ঘুঘুর ফাঁদ দেখা শুরু করেছি।

মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

গত ৯ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জে আইভীর নির্বাচনী সমাবেশে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, বিএনপির তালাকপ্রাপ্ত তৈমূর আলম খন্দকার এখন বন্য হাতিতে পরিণত হয়েছেন। তাকে কেউ ভোট দেবেন না। তিনি নাকি বিএনপির না, তাহলে তিনি কার? তৈমূর সাহেব ঘুঘু দেখেছেন, ঘুঘুর ফাঁদ দেখেন নাই। টের পাবেন আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই।

মঙ্গলবারের সংবাদ সম্মেলনে তৈমুর বলেন, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। গতকাল সোমবার সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় আমার নির্বাচনি প্রচার কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম রবিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া যেসব চেয়ারম্যানরা আমার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় নেমেছিল তাদের বাড়িতে বাড়িতে পুলিশ তল্লাশি চালাচ্ছে। এটা এক ধরনের হুমকি।

তৈমুর অভিযোগ করে আরও বলেন, সরকারি দলের বড় বড় নেতাদের নারায়ণগঞ্জে এনে নানা উস্কানিমূলক ও হুমকিমূলক বক্তৃতা দেওয়ানো হচ্ছে। একজন সম্মানিত মেহমান বলেছেন যে, ‘তৈমুরকে মাঠে নামতে দেওয়া হবে না’। এসব করে নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করা হচ্ছে।