এবাদত-তাসকিনদের সাফল্যে মিডিয়ার অবদান দেখছেন টাইগার অধিনায়ক

16

নিউজিল্যান্ডের মাটিতে নিউজিল্যান্ডকে টেস্টে হারাতে পেস আক্রমণের বিকল্প নেই- এ কথা বুঝতে পেরেছিল বাংলাদেশ দল। যে কারণে প্রথম ম্যাচের একাদশে তিন পেসারের সঙ্গে একমাত্র স্পিনার হিসেবে রাখা হয়েছিল মেহেদি হাসান মিরাজকে।

তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম ও এবাদত হোসেনদের নিয়ে গড়া পেস ডিপার্টমেন্টই বাংলাদেশকে এনে দিয়েছে অবিস্মরণীয় জয়। দুই ইনিংস মিলে সাত উইকেট (১/৭৫ ও ৬/৪৬) নিয়ে ম্যাচসেরাই হয়েছেন এবাদত। এছাড়া তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন তাসকিন ও শরিফুল।

বিশেষ করে দ্বিতীয় ইনিংসে পেসাররাই নিয়েছেন ৯টি উইকেট আর ম্যাচে তাদের শিকার ১৩ উইকেট। যা কি না এক টেস্টে বাংলাদেশের পেসারদের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারের রেকর্ড। আর পেসারদের এই সাফল্যে মিডিয়ার বড় ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করেন অধিনায়ক মুমিনুল হক।

কেননা ২০১৬ সালের পর থেকে স্পিন আক্রমণের দিকেই বেশি ঝুঁকে পড়েছিল বাংলাদেশ দল। দেখা যেত, দেশের মাটিতে তিন-চার স্পিনারের সঙ্গে নামকাওয়াস্তে এক পেসার নেওয়া হয়েছে দলে। এমনকি পেসার ছাড়া খেলারও নজির গড়েছে বাংলাদেশ।

শুধু তাই নয়, বিদেশের মাটিতেও দুই পেসারের বেশি খেলানোর সাহস দেখাতে পারতো না টাইগাররা। তখন স্বাভাবিকভাবেই সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন উঠতো, একাদশে পেসারদের না নিলে তাদের উন্নতি বোঝা যাবে কীভাবে? শুধু স্পিন আক্রমণ দিয়েই কি সবসময় পাওয়া যাবে সাফল্য?

সেসব দিনের কথা মনে রেখেছেন মুমিনুল। তাই তো আজ ম্যাচ শেষে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘আমার মনে হয়, এই ক্ষেত্রে (পেসারদের সাফল্য) আপনাদের বিরাট ভূমিকা রয়েছে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘এটা বলছি কারণ, আমরা যখন পেস বোলার খেলাতাম না, তখন আপনারা অনেক বেশি প্রশ্ন করতেন, কেন খেলান না। দেশের বাইরে খেলাতাম, দেশে খেলাতাম না, তখন প্রশ্ন করতেন কেন দেশে খেলান না।’

‘তো দেশের ভেতরে খেলতে খেলতে পেস বোলাররা অনেক বেশি পরিপক্ব হয়েছে। এটা আপনাদেরও সাধুবাদ দেওয়া উচিত। আপনারা সারাদিন আমাকে পুশ করতেন কেন পেস বোলার খেলান না দেশে-দেশের বাইরে। এটা ছিল কমন প্রশ্ন। টেস্ট বোলাররা যত ম্যাচ খেলবে, অনেক পরিপক্ব হবে।’

এসময় এবাদতের উন্নতির বিষয়ে মুমিনুল বলেন, ‘ও টানা কয়েকটা টেস্ট খেলেছে। এটা একটা কারণ। ও নিজে বলতে পারবে কীসে উন্নতি। আমার মনে হয়, বোলিং কোচের এখানে বড় অবদান আছে।’