রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্যকে নিষিদ্ধ করলো টুইটার

14

করোনা মহামারির মধ্যে বিভ্রান্তিকর পোস্ট দেয়ার কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান নারী কংগ্রেস সদস্য মারজোরি টেইলর গ্রিনের অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে স্থগিত করেছে টুইটার কর্তৃপক্ষ। গত জুলাই মাসে তার অ্যাকাউন্টে সাময়িকভাবে স্থগিত করেছিল টুইটার কর্তৃপক্ষ। এবার তা স্থায়ীভাবে করা হলো। ফলে তিনি একেবারেই টুইটার অ্যাকাউন্ট ব্যবহারে নিষিদ্ধ হলেন।

করোনাভাইরাসের ভুল তথ্য যেটি সাধারণ মানুষের জন্য ক্ষতিকর, তা নিয়ে যাচাই বাছাই শুরুর পরপরই এমন সিদ্ধান্ত নিলো টুইটার কর্তৃপক্ষ।

তবে তার টুইটার টুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার প্রতিক্রিয়ায় রিপাবলিকান এই সদস্য বলেছেন, তাকে নিষিদ্ধ করে কোম্পানিটি প্রমাণ করেছে যে, তারা আমেরিকার শত্রু।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম জায়ান্টটি গত বছর আগস্টের পর থেকে তার বিরুদ্ধে চার বার এমন অভিযোগ তোলে। টুইটার মুখপাত্র জানান, আমরা আমাদের পলিসি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

২০২০ সালের নির্বাচনের পর থেকে ওয়াশিংটনের একজন বিতর্কিত রাজনীতিক হলেন গ্রিন। তিনি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্টের একজন প্রথম সারির সমর্থক।

যুক্তরাষ্ট্র যখন করোনাভাইরাসের সঙ্গে কঠিন লড়াই করছে, যেখানে দেশটিতে আট লাখ ২৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে সেখানে ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন গ্রিন, এমন অভিযোগ উঠেছে। প্রায়ই সময় তিনি করোনা মোকাবিলায় বর্তমান সরকারের ব্যর্থতা, টিকা নিয়ে নানা সমালোচনা করে থাকেন।

এর আগেও করোনা ভ্যাকসিন ও মাস্ক নিয়ে টুইটারে পোস্ট দেন গ্রিন টেইলর। একটি পোস্টে মারজোরি লিখেন, করোনার ভ্যাকসিন আবশ্যিক নয়। আরেকটি পোস্টে তিনি বলেন, ৬৫ বছরের কম বয়স্কদের জন্য করোনা ভয়ঙ্কর নয়।

দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন নিয়ে ভুল তথ্য ছড়ানোর জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান। এরপর থেকে নড়েচড়ে বসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম জায়ান্টগুলো।

এর আগে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর ক্ষমতা ছাড়া নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ক্যাপিটল হিলে হামলা চালায় ট্রাম্প সমর্থকরা। এরপর টুইটার কর্তৃপক্ষ সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের টুইটার অ্যাকাউন্ট একেবারেই বন্ধ করে দেয়।

সূত্র: আল-জাজিরা, বিবিসি