নড়াইলের সাবেক এসপি’র বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সাজানো নাটক নাকি অন্যকিছু?

466

নড়াইলকণ্ঠ ॥ গত ৫ জুলাই সোমবার নড়াইলের সাবেক এসপি জসিম উদ্দীনসহ কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এক নারীর ভিডিও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই নারীর অভিযোগ, তাঁর ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনি মামলা করেছিলেন। কিন্তু মামলাটি সাজানো বলে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় পুলিশ। ভিডিও বক্তব্যে মামলার অভিযোগের পাশাপাশি পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে হয়রানির নানা অভিযোগ তুলেছেন ওই নারী। এদিকে ওই অ্যাসিড মামলার আসামিরা ৬ জুলাই মঙ্গলবার নড়াইলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। এ সময় তাঁরা দাবি করেন, অ্যাসিড নিক্ষেপের ঘটনাটি সাজানো নাটক। আর সাবেক এসপিসহ পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ওই নারী অপপ্রচার চালাচ্ছেন।

এদিকে এ ভিডিও বক্তব্যকে কেন্দ্র করে নড়াইলসহ সারা দেশে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার জন্ম নেয়। কে এই নারী? আসল ঘটনা কি? এসব বিষয়ে জানতে নড়াইলবাসীসহ দেশবাসীর মনে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হয়। ঘটনার পেছনের ঘটনা জানতে সম্প্রতি নড়াইলকণ্ঠে একটি টিম ওই নারীর গ্রামে যায়। কথা বলে গ্রামবাসী নারী-পুরুষ বিভিন্ন ব্যক্তিসহ ওই নারীর নিকটজনদের সাথেও। সেসব কথোপকথনের ভেতর দিয়ে কি তথ্য উঠে এলো তা তুলে ধরা হলো নড়াইলকন্ঠের পাঠক ও দর্শকদের জন্য।

তবে তার আগে পেছনের কিছু ঘটনা জেনে নেওয়া দরকার।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৮ আগস্ট নড়াইল সদর থানায় ওই নারীর বোন মিনি বেগম মামলাটি করেন। এতে মোট সাতজনকে আসামি করা হয়। আসামিরা ওই নারীর প্রতিবেশী ও একই বংশের লোক। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ১৭ আগস্ট রাত সাড়ে নয়টার দিকে গ্রামের রাস্তায় ওই নারীর ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপ করা হয়। এতে তাঁর পিঠের একটি অংশ পুড়ে যায়। আসামিদের সঙ্গে লেনদেন নিয়ে ওই নারীর দ্বন্দ্ব ছিল। এর জেরেই তাঁরা এ ঘটনা ঘটান বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। পরে মামলাটি সাজানো বলে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় পুলিশ। অবশ্য, ওই নারী আদালতে নারাজি দেন। বর্তমানে মামলাটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পিবিআইকে।

মামলাটি তদন্ত করেছিলেন নড়াইল সদর থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) সুকান্ত সাহা। তিনি এখন নড়াইলে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক। আর সাবেক পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন বর্তমানে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশে (সিএমপি) কর্মরত।

তবে পুলিশ মনে করছে, ওই নারীর পেছনে প্রভাবশালী একটি স্বার্থান্বেষী মহলের ইন্ধন আছে। অযথা পুলিশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।’অ্যাসিড মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতের নির্দেশে ওই নারীর কাপড়চোপড় জব্দ করে ঢাকায় সিআইডিতে পাঠিয়েছিলেন। সেখানে সিআইডির বোর্ড সভায় সিদ্ধান্ত নিয়ে একটি প্রতিবেদন দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে সেটি অ্যাসিড নিক্ষেপের ঘটনা নয় বলে উলে¬খ করা হয়। তা ছাড়া ওই নারীরা দুই বোন চলার পথে পরামর্শ করেছিলেন, ‘ব্যাটারির অ্যাসিড। বেশি যন্ত্রণা হবে না। একটু জ্বলবে মাত্র’। এ কথা ৭২ বছর বয়সী এক নারী শুনতে পান। ওই নারীসহ চারজন আদালতে জবানবন্দি দেন। তাতে বলেন, মামলাটি ছিল সাজানো। এর ভিত্তিতে পুলিশ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়।

৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুরে নড়াইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন অ্যাসিড মামলার আসামি ও তাঁদের স্বজনেরা। লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান অ্যাসিড মামলার আসামি বিপ্লব মোল¬া। উপস্থিত ছিলেন কলোড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্বাস আলী সরদারসহ কয়েকজন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, পাওনাদারের টাকা যাতে ফেরত দিতে না হয়, সে জন্য ওই নারী অ্যাসিড নিক্ষেপের মামলা সাজিয়েছেন। অ্যাসিড মামলার অপর আসামি জুয়েল মোল্য¬া ওই নারীর কাছে ৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা পাবেন। ওই টাকা ফেরত না দেওয়ায় জুয়েল আদালতে চেক প্রত্যাখ্যানের মামলা করেন। এরপরই ওই নারী মামলাটি সাজিয়েছেন।

সরেজমিনে তানিয়ার গ্রামে গিয়ে এলাকাবাসীর বক্তব্যে কি তথ্য পাওয়া গেল :
নড়াইল সদর উপজেলার কলোড়া ইউনিয়নের বাহিরগ্রামে গিয়ে জানা যায়, অভিযোগকারী ওই নারীর নাম তানিয়া জামান। বাহিরগ্রামের মৃত কামরুজ্জামান গোলাপ ও আসমা বেগমের (৬০) ছোট মেয়ে তানিয়া। তার বর্তমান বয়স ৩০। তিন বোন এক ভাই। ভাই-বোনের মধ্যে তানিয়া ৩য়। বড় বোন নিনি বেগম, মেঝ বোন মিনি এবং সকলের ছোট ভাই ইমরান। সে ওমান প্রবাসী।

পারিবারিক ও এলাকার সূত্রে জানাযায়, তানিয়া জামানের তিনটি বিবাহ হয়। প্রথম বিয়ে করেন নড়াইল সদরের চাচড়া গ্রামের ওবায়দুরকে, দ্বিতীয় বিয়ে করেন রাজশাহীর এক এনজিও কর্মী সরোয়ারকে এবং বর্তমান তানিয়া যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া শংকরপাশার লাড্ডু বিশ্বাসের সাথে ঘরসংসার করছেন। তবে তিনি স্বামীর বাড়িতে থাকেন না। বেশিরভাগ সময়ই মায়ের সাথে তার পৈত্রিক বাড়িতেই বসবাস করেন। কোন স্বামীর ঘরেই তার কোন সন্তান আসেনি।
সূত্র থেকে আরো জানা যায়, মা-মেয়ে (তানিয়া ও তার মা আসমা) মিলে প্রায় একযুগেরও বেশি সময় ধরে গ্রামে সুদের ব্যবসা চালিয়ে আসছে।

ভিডিওর বক্তব্যে তানিয়া নিজেকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বলে পরিচয় দেয়। তবে তার বাবা মুক্তিযোদ্ধা কি না এ সম্পর্কে তার আপন বড় চাচার ছেলে নাসির মোল্যা জানান, আমার চাচা কোনকালেই মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না। এসবই হচ্ছে বানোয়াট। তিনি তানিয়ার গাঁয়ে এসিড নিক্ষেপ সম্পর্কে জানান, ‘আমি শতভাগ নিশ্চিত এ এসিড মেরেছে ওর মেঝে বোন মিনি। পুলিশ প্রশাসন ওর মেঝ বোনকে ধরে নিয়ে পাছায় দুই-চার বাড়ি দিলি সব বেরিয়ে যাবেনে। এদিকে তানিয়ার বাবা মুক্তিযোদ্ধা কি না এ সম্পর্কে নড়াইল জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ এর আহবায়ক ইঞ্জিঃ খশরুল আলম পলাশ গত ০৮ জুলাই তার ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন নড়াইল জেলা সদরের কলোড়া ইউনিয়নের বাহিরগ্রামের তানিয়ার পিতা মৃত কামরুজ্জামন গোলাপ নামে কোন মুক্তিযোদ্ধা নাই।

ঘটনার পেছনের ঘটনা:
তানিয়ার আপন চাচী কলোড়া ইউপি’র মেম্বার রহিমা জানান, তানিয়ার দ্বিতীয় স্বামী সরোয়ার তাকে পাচারের জন্য বিবাহ করেছিলেন এই অভিযোগে এনে সরোয়ারকে তালাক দেওয়া হয়। এরপর সরোয়ারের বিরুদ্ধে পাচারের মামলায় আমাকে সাক্ষী দিতে বলেছিলো তানিয়া। সাক্ষী দিতে রাজি না হওয়ায় আমার বড় ছেলে রিয়াজ (১৬) এবং ছোট ছেলে ফাহাদ (১২)’র বিরুদ্ধে ২০১৩ সালে নড়াইল সদর থানায় ধর্ষণের অভিযোগ আনেন এই তানিয়া।

বাহিরগ্রামের হতদরিদ্র নারী কোহিনূর জানান, আমি তানিয়ার সুদে টাকার নির্যাতনের শিকার হয়ে সর্বস্বান্ত। আমি তানিয়ার কাছ থেকে সুদে করে ১৫ হাজার টাকা নেই। এ টাকার জন্য ইতিমধ্যে আমি তাকে ৬৫ হাজার টাকা দিয়েছি। কিন্তু গাছ টাকা আজও নাকি পরিশোধ হয়নি। অবশেষে আমাকে মিথ্যা টাকা পাওয়ার দাবি করে হয়রানি করে যাচ্ছে।

বাহিরগ্রামের নূরজাহান বেগম জানান, তানিয়ার নিটক থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়ে আমি এক বছরে ৩০ হাজার টাকা দিয়েছি। তাও শোধ হয়নি তার আসল টাকা।

তানিয়াকে এসিড নিক্ষেপ মামলার অন্যতম সাক্ষী ও তানিয়ার চাচাতো ভাই সাজীব ও তার স্ত্রী আঞ্জুমান আরা লিজা জানান, একই গ্রামের বিপ্লবের কাছে তানিয়া দাদনের সাড়ে ১৫ লক্ষ টাকা পায়। দীর্ঘদিন ঘুরানোর পর টাকা না দেয়ায় আমরা প্রথমে নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইলিয়াস হোসেনের কাছে যাই। তার খারাপ ব্যবহারে আমরা বিভ্রান্তিতে পড়ি এবং পরে এসপি জসিম উদ্দীনের কাছে যাই। নড়াইল পুলিশ লাইন্স স্কুলে আমার দুই বাচ্চা পড়াকালীন সময়ে জসিম উদ্দীনের সাথে আমার পরিচয় হয় এবং সেই সুবাদে তানিয়ার আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে এসপি জসিম সাহেবের কাছে যাওয়া। তার ব্যবহারেও আমরা তেমন একটা সন্তুষ্ট ছিলাম না। বিষয়টি আমার মামাতো ভাই এডিশনাল ডিআইজি মনিরকে বললে তিনি এসপি’কে বলে দেন। তারপরে তিনি আমাদেরকে পুনরায় ডেকে নেন। কিন্তু আমাদের জানা মতে তানিয়াকে এসপির কাছে একা যাওয়ার কথা শুনিনি। পরে গেছে কি না তা আমাদের জানা নেই।

বাহিরগ্রামের একজন বিধবা বয়স্ক নারী আয়শা বেগম, পেশায় তিনি একজন পুরনো কাপড় বিক্রেতা। তিনি জানান, আমি নোয়াপাড়া থেকে পুুরাতন কাপড় কিনে এনে গ্রামে গ্রামে গিয়ে বিক্রি করে সংসার চালাই। ঘটনার দিন (১৭ আগস্ট ২০২০) রাত ৯টা কি সাড়ে ৯টার দিকে কাপড় বিক্রি শেষে বাজার থেকে নিজের বাড়িতে ফিরছিলাম। সাজিবদের বাড়ির পাশ দিয়ে ইটের সলিংরাস্তায় আসছিলাম। তখন সামনে দেখি মিনি ও তার বোন তানিয়া কবরস্থানের দিকে হেঁটে যাচ্ছে। আমি পিছন থেকে কাছাকাছি আসলে শুনতে পাই, তানিয়া তার মেঝ বোন মিনিকে বলছে অল্প করে ঢালিস। মিনি বলছে ব্যাটারির পানিতে তেমন ক্ষতি হবে না। তাছাড়া পুড়ে ছুলে না গেলে কেসে খুব একটা জোর হবেনানে। তুই খালি জোরে জোরে চিল্লাবি আর কানবি। এরপর দেখলাম ওরা দুই বোন গোরস্থান পার হয়ে আরো সামনের দিকে চলে গেল। তারপর চিৎকার চেচামেচি। তখন আমি বুঝতে পারি নাই। পরে বুঝলাম ওরা এই শয়তানি করে নিরীহ মানুষদের ফাঁসাচ্ছে।

তানিয়াকে এসিড নিক্ষেপ মামলার প্রধান সাক্ষী তার চাচাতো ভাই জিন্না মোল্যা জানান,
তানিয়ার শরীরে এসিড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে আমার বাড়ির গেটে। তখন সময় আনুমানিক রাত সাড়ে ৯টা কি ১০টা হবে আমার বাড়ির সামনে চিৎকার চেচামেচি শুনে আমি এগিয়ে আসি। এসে দেখি আমার চাচাতো বোন তানিয়া চিৎকার করছে। আর তার বড় বোন পাশে পড়ে আছে। এরমধ্যে ৪/৫ জনকে আমি দৌঁড়িয়ে চলে যেতে দেখি। কিন্তু আমি তখন কাউকে চিনতে পারি নাই। এ সময় তিনি আরও জানান, পুলিশ আমাদের কাছে একবার মাত্র এসেছিলো। আদালতে আমাদের কোন সাক্ষ্য নেয়া হয়নি। আমি ্ঘটনার সঠিক তদন্ত চাই। দোষিদের শাস্তি চাই।

মুঠোফোনে তানিয়া জামানের নিকট জানতে চাওয়া হয়, মামলার চুড়ান্ত রিপোর্টের প্রায় একবছর হয়ে গেল এমনকি জসিম সাহেব নড়াইল থেকে বদলি হয়ে গেছেন চার আগে। এতদিন পরে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছেন কেন?
এ প্রশ্নে তানিয়া জানান, ‘তখন এসপি আমাকে হুমকি দেয় এসব কথা যদি বাইরে বলিস, তোকে শেষ করে দেবা। আপনারা বোঝেন না কেন?’ এসপি এতো খারাপ বুঝিনি। আমাকে সে বলে আমার প্রস্তাবে রাজি থাকলে সব করে দিবো। এসপি জসিমের এসব কুকর্ম প্রকাশ হওয়ার ভয়ে লোকজন দিয়ে আমাকে এসিড মেরে একেবারেই শেষ করে ফেলার চেষ্টা করেছে।

আপনি সময় ও ঘটনার প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে যে কথাগুলি বলছেন এসব কথা কি এসপি অফিসে আপনার সাথে থাকা আপনার চাচাতো ভাই ও ভাবী লিজাকে কখনও বলেছেন?
এ প্রশ্নে তানিয়া জানান, এসব কথা কি সবাইকে বলা যায়? আমি আমার ভাই ও ভাবীকে কখনও বলি নাই। তবে যার সাথে এসব কথা শেয়ার করা যায় তাকে শেয়ার করেছি।

এদিকে তানিয়া সোশ্যাল মিডিয়ায় দেয়া বক্তব্যে বলেছেন, এসপি জসিম আমাকে এসিড দেয়ার নির্দেশ দেন। নার্স ইনচার্জ সফুরা বেগম ও তার সহযোগী বাদশার মাধ্যমে আমাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করে। ইতিমধ্যে আমার ২০ লক্ষ টাকা খরচ হয়ে গেছে।

এদিকে নড়াইল সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. এ এফ এম মশিউর রহমানের স্বাক্ষরিত প্রাথমিক রিপোর্টে দেখা যায় তানিয়া জামানের ইনজুরির ধরন ছিলো নরমাল এবং ক্ষতিকারক কোন ক্যামিক্যাল ছিলো না। একইসাথে খুলনা মেডিকেলা কলেজ হাসপাতালের ইনজুরি সার্টিফিকেটে ক্যামিক্যাল বার্ন উল্লেখ করা হয়েছে।

নড়াইলের সাবেক পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে শ্লীলতহানীর অভিযোগ সম্পর্কে তিনি মুঠোফোনে নড়াইলকণ্ঠকে জানান, দেখেন এটা আমার ব্যক্তিগত বিষয় নয়। সে অফিস নিয়ে মন্তব্য করেছে। সুতরাং বিষয়টি পুলিশের উর্ধ্বতন পর্যায় থেকে তদন্ত হচ্ছে, সত্যটা বেরিয়ে আসবে। আমি কি রকম মানুষ তা নড়াইলের মানুষ জানে। মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বর্তমান চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।