করোনার ছোঁবলে আরো ১৮জন, বাঁচতে হলে প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা

41

ডেস্ক রিপোর্ট ॥ গত ২৪ ঘন্টায় (১৮ জুন সকাল ৮টা থেকে ১৯ জুন সকাল ৮টা পর্যন্ত) প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ি নড়াইলে নতুন করে আরো ১৮ জনের করোনা পজিটি পাওয়া গেছে। শনিবার (১৯ জুন) সিভিল সার্জন অফিস থেকে প্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডাঃ নাছিমা আক্তার স্বাক্ষরিত এক রির্পোটের সূত্রে জানাগেছে, জেলায় মোট ২১১ টি নমুনা সংগ্রহ করা হয় । যার মধ্যে ১৮ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে সদরে ১৬,লোহাগড়ায় ০ এবং কালিয়ায় ২ জন। সদর হাসপাতালে ভর্তি ০৩ জন। এ পর্যন্ত জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে নড়াইলে গত বৃহস্পতিবার ১৭ জুন সকাল ১০টায় আমেরিকা ভিত্তিক ট্রাস্ট চ্যারিটি প্রতিষ্ঠান আমেরিকার্স সংস্থাটির উদ্যোগে নড়াইলে কোভিড-১৯ প্রতিরোধে স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য ব্যক্তিগত সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম পিপিই এবং চিকিৎসা সমাগ্রী হস্তান্তরের সময় সিভিল সার্জন ডা. নাছিমা আকতার তার বক্তব্যে বলেছিলেন, নড়াইলে আরো সপ্তাহব্যাপী করোনাভাইরাসের প্রাদূর্ভাবের গতি একইভাবে থাকবে। তিনি আরো বলেছিলেন, আগামি এক সপ্তাহ পর করোনাপ্রাদূর্ভাব নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। এ সময়ে সকলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

এদিকে আজ সকালের দিকে নড়াইল জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেলে নড়াইল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) এর প্রতিনিধি এনামুল কবীরের একটি পোষ্ট চোখে পড়লো।

পোষ্টটির হুবহু নিচে তুলে ধরা হলো:
নড়াইলে চিনের সিনোফার্মা’র ২৪০০ ডোজ করোনা টিকা পৌঁছেছে বুধবার বিকেলে, ১২০০ মানুষকে প্রদান করা যাবে। সেদিন সি এস অফিসের মেডিকেল অফিসার সৈয়দ ডা. শফিক তমাল বলেছিলেন এ টিকা কিভাবে এবং কবে থেকে ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়ে কোন নির্দেশনা আসেনি। সংবাদকর্মীরা সেভাবেই নিউজ করেছেন। কিন্তু হঠাৎ করে আজ (১৯/০৬/২০২১) থেকে ১ম ডোজ টিকা দান শুরু করে দিয়েছেন সিভিল সার্জন ডা. নাসিমা আকতার। বিষয়টি করোনা সংক্রমন প্রতিরোধ কমিটির কোন সদস্য অবহিত নন বলে জেনেছি। এ বিষয়ে জানার জন্য কয়েকবার চেষ্টা করেও ফোনে কথা বলা সম্ভব হয়নি সিভিল সার্জনের সাথে। বিষয়টি তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বা জেলা প্রশাসকের মিডিয়া সেলের মাধ্যমে জানাতে পারতেন। যেখানে করোনা সংক্রমন বৃদ্ধি পাচ্ছে লাফিয়ে লাফিয়ে, সেখানে তিনি সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া কিভাবে এককভাবে সংক্রমন প্রতিরোধ করবেন জিজ্ঞাসা নড়াইলবাসির (?)।

নড়াইল এখন চরম সংকটের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। অধিকতর সতর্কতা, সচেতনতা, শারীরিক ও সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরে প্রয়োজন ছাড়া ঘরে থাকাই বাঞ্চনীয়।