বাংলাদেশের মাটি সিসার কারণে শিশুদের জন্য ভয়ংকর বিষাক্ত: ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও আইসিডিডিআরবি’র গবেষণা

10

ডেস্ক রিপোর্ট: প্রতিষ্ঠান দুটি জানিয়েছে, এ গবেষণা পত্র আগামী মার্চে পিয়ার-রিভিউড জার্নাল এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চে প্রকাশ করা হবে। যৌথ এ গবেষণায় বলা হয়েছে, রক্তে সিসার উপস্থিতি মানব শরীরের প্রতিটি সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে এটি মস্তিষ্কের উন্নতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। কমিয়ে দেয় বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা। সিসা দূষণে বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষতি এবং কম উৎপাদনশীলতায় প্রতি বছর পৃথিবীর ক্ষতি হয় ১ ট্রিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশের ১৬ মিলিয়ন ডলার।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা এলসিভিয়ারের বৈজ্ঞানিক এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রকাশনার গ্রন্থপঞ্জি ডেটাবেইসের ওয়েবসাইট সায়েন্সডিরেক্টে প্রকাশিত আর্টিকেলে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

বাংলাদেশের অনেক অঞ্চলের মাটিতে ক্রোমিয়াম, ক্যাডমিয়াম এবং সিসার মতো ভারী ধাতু অতিরিক্ত মাত্রায় পাওয়া যায়। খাদ্যচক্রের মাধ্যমে সেসব ক্ষতিকর উপাদান মানবদেহে প্রবেশের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দেয়।

ক্যাডমিয়াম আসছে রাসায়নিক সার থেকে এবং ক্রোমিয়াম ও সিসা আসছে মূলত শিল্পকারখানা, ইলেকট্রনিক এবং মেডিকেল বর্জ্য থেকে। আর্টিকেলের সহলেখক এবং স্ট্যানফোর্ড উডস ইনস্টিটিউট ফর দ্য এনভায়রনমেন্টের প্রফেসর স্টিফেন লবি বলেন, বিশুদ্ধকরণের ১৪ মাস পর আমরা সাফল্য পাই।মাটি বিশুদ্ধ না করলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে শিশু ও কৃষিখাত।