ব্রিটেনের নতুন বৈশিষ্ট্যের করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণের বাইরে

6

ডেস্ক রিপোর্ট: নতুন এই বৈশিষ্ট্যের করোনাভাইরাস লন্ডন এবং দক্ষিণ-পূর্ব ইংল্যান্ডে দ্রুত ছড়াচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। এ পটভূমিতে হঠাৎ করেই লন্ডন এবং দক্ষিণ-পূর্ব ইংল্যান্ডের বিরাট অংশ জুড়ে কঠোর লকডাউন আরোপ করা হয়।

ব্রিটিশ গবেষকেরা লন্ডন এবং আশে-পাশের অঞ্চলে যে ভাইরাসের বিস্তার দেখছেন, সেটিকে তারা ‘নিউ ভ্যারিয়েন্ট’, অর্থাৎ নতুন বৈশিষ্ট্যের ভাইরাস বলে বর্ণনা করেছেন। বিবিসি জানিয়েছে, ভ্যারিয়েন্টটি আসল ভার্সনের চেয়েও দ্রুত ছড়ায়। তবে তুলনামূলক বেশি প্রাণঘাতী নয়।

তবে ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলো বলছে, রূপান্তর বা মিউটেশনের পর করোনা কিছুটা পাল্টে গেলেও সমস্যা হবে না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, তারা ব্রিটিশ বিজ্ঞানীদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে ‘নিবিড় যোগাযোগ’ রাখছেন।

করোনাভাইরাসের মহামারী শুরুর পর থেকেই বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে, অন্য যে কোন ভাইরাসের মতো করোনাভাইরাসের এই নতুন ভাইরাসটিও মিউটেশনের মাধ্যমে পরিবর্তিত হতে পারে। তার বৈশিষ্ট্য এবং আচরণে পরিবর্তন ঘটতে পারে।

গবেষকরা অবাক হচ্ছেন কারণ ভাইরাসটি অনেক বেশি সহজে এবং দ্রুত ছড়াচ্ছে। আগেরটির তুলনায় এই নতুন করোনাভাইরাস ৭০ শতাংশ বেশি হারে ছড়াচ্ছে।

ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক বলেছেন নতুন বৈশিষ্টের ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। ১৬ মিলিয়ন ব্রিটিশ নাগরিককে ঘরে থাকতে হচ্ছে। তিনি বলেন এপর্যন্ত সাড়ে তিন লাখ ব্রিটিশ নাগরিককে ভ্যাকসিন দেয়া হয়েছে এবং এ সপ্তাহ শেষে তা ৫ লাখে উন্নীত হবে।