‍দুদক ড্রাইভার মালেকসহ স্বাস্থ্যখাতের ২০ জনের সম্পদ বিবরণী চেয়েছে

72

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গাড়ি চালক আব্দুল মালেক ও তার স্ত্রীসহ ২০ জনের সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

একের পর এক বেরিয়ে আসছে স্বাস্থ্যখাতের দুর্নীতির ঘটনা। অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকা সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গত রোববার আটক করা হয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গাড়িচালক আব্দুল মালেক ওরফে মালেক ড্রাইভারকে। এবার জানা গেল- অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে স্বাস্থ্যখাতের আরো ১২ কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ২০ জনের সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ আদেশ দেয়া হয়। সেখানে বলা হয়েছে, দুদক আইন-২০০৪ এর ধারা ২৬ উপ-ধারা (১) অর্পিত ক্ষমতাবলে নিজের এবং তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিবর্গের স্বনামে-বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণী এই আদেশ প্রাপ্তির ২১ কার্যদিবসের মধ্যে নির্ধারিত ছকে দাখিল করতে হবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে ব্যর্থ হলে অথবা মিথ্যা বিবরণী দাখিল করলে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ২৬ (২) উপধারায় দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

যাদেরকে এই নোটিশ দেয়া হয়েছে তারা হলেন- স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব রক্ষক কর্মকর্তা মো. মজিবুল হক মুন্সি ও তার স্ত্রী রিফাত আক্তার, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর তোফায়েল আহমেদ ভূইয়া ও তার স্ত্রী খাদিজা আক্তার, গাড়িচালক মো. আব্দুল মালেক ও তার স্ত্রী নার্গিস বেগম, গোপালগঞ্জের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ওবাইদুর রহমান ও তার স্ত্রী বিলকিস রহমান, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের স্টাফ নার্স মোসা. রেহেনা আক্তার ও তার স্বামী মো. ওবাইদুর রহমান, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিসাব রক্ষক মো. ইমদাদুল হক ও তার স্ত্রী মোছা. উম্মে রুমান ফেন্সী, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মাহমুদুজ্জামান ও তার স্ত্রী মোছা. সাবিনা ইয়াছমিন।

গাজীপুরের শহীদ তাজ উদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্টোর অফিসার মো. নাজিম উদ্দিন ও তার স্ত্রী ফিরোজা বেগম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অফিস সহকারী (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) কামরুল হাসান ও তার স্ত্রী ডা. উম্মে হাবিবা, গোপালগঞ্জের শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজের স্টেনোগ্রাফার কাম কম্পিউটার অপারেটর মো. সাইফুল ইসলাম, বরিশালের স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের সহকারী প্রধান পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মীর রায়হান আলী এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিসাব রক্ষক মো. আনোয়ার হোসেন।