নড়াইলে আলোচিত হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচন

40

নড়াইলকণ্ঠ ॥ নড়াইলে ত্রিমুখী পরকীয়ায় নিহত হয় ট্রাক ড্রাইভার মাসুম ফকির। ২০১৬ সালে নড়াইলের ব্যাপক আলোচিত এ হত্যা মিশনে অংশ নেয়া দুইনারিসহ মোট চার জনের মধ্যে তিনজনই ‘অপরাধ তদন্ত বিভাগ’ সিআইডি’র হাতে ধরা পড়ে। তারা ১৬৪ ধারা মতে আদলতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। একজন আসামী পলাতক রয়েছে। শাবানা খাতুন নামে সর্বশেষ এক নারি সিআইডি’র হাতে ধরাপড়ে গত শুক্রবার ১৮সেপ্টেম্বর নড়াইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্টেট মোরশেদুল আলমের আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছে।
গত শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধায় তার কার্যালয়ে আয়েজিত এক প্রেসবিফিংএ সিআইডি নড়াইল ইউনিটের প্রধান অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার বলেন, আউড়িয়া ইউনিয়নের খলিশাখালী গ্রামের তৈহিদের স্ত্রীর আশা বেগমের সঙ্গে দেবর আরাফাতের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অন্য দিকে প্রতিবেশি ট্রাক চালক মাসুম ফকিরও আশার প্রতি দূর্বল হয়ে আশাকে পেতে মরিয়া হয়ে ওঠে। এতে মাসুমের প্রতি বিরক্ত হয়ে প্রেমিক যুগল আশা ও আরাফাত তাদের দুই বন্ধুর সহায়তায় মাসুমকে হত্যা করে লাম নদীতে ফেলে দেয়। মামলাটি প্রথমে সদর থানা পুলিশ তদন্ত করলেও এক পর্যায়ে এর তদন্তভার সিআইডি’র উপর ন্যাস্ত হয়। চার বছরের দীর্ঘ অনুসন্ধানে ডিআইডি আলোচিত এ হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচন করতে সক্ষম হয়। এ সময় নড়াইলের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলোক্ট্রোনিক মিডিয়ার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।