খেলাধুলায় পারদর্শী না হলেও সেরা স্পোর্টস ভেন্যু আরব আমিরাতে

27

স্পোর্টস ডেস্ক ॥ বহু টালবাহানার পর অবশেষে আজ শুরু হচ্ছে এবারের আইপিএল। প্রথম ম্যাচেই মুখোমুখি দুই হেভিওয়েট প্রতিপক্ষ। মহেন্দ্র সিং ধোনির চেন্নাই সুপার কিংস এবং রোহিত শর্মার মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। করোনার সংক্রমণে এবার আর ভারতে নয়, আইপিএলের ১৩তম আসর বসছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। অর্থাৎ আরও একটি বড় টুর্নামেন্টের আয়োজন করতে চলেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। কিন্তু কেন বারবার এই দেশটিই সবার প্রথম পছন্দ? কেন বড় বড় টুর্নামেন্টগুলো এত সফলভাবে আয়োজন করতে পারে আরব আমিরাত। জেনে নেওয়া যাক এই প্রতিবেদনে।
শুধু ক্রিকেট বা আইপিএল নয়, বিশ্বের বহু বড় বড় টুর্নামেন্টের আসর ইতিমধ্যে এই দেশটিতে বসেছে। ফুটবল, টেনিস কী নেই তালিকায়। ২০১৪ সালেই সেই তালিকাতে নাম লিখিয়েছিল আইপিএল। সে বছর দেশে লোকসভা নির্বাচনের জন্য নিরাপত্তার খাতিরে টুর্নামেন্টের প্রথম দিকের কয়েকটি ম্যাচ আমিরাতে আয়োজন করা হয়েছিল। আর এবার গোটা টুর্নামেন্টটিই আয়োজিত হচ্ছে সেখানে। অথচ ক্রীড়াজগতে এই দেশটির উল্লেখযোগ্য সাফল্য বলতে ২০০৪ অলিম্পিকে একটি সোনা এবং ২০১৬ সালের রিও অলিম্পিকে একটি ব্রোঞ্জ পদক।
আসলে এই দেশটির ক্রীড়াক্ষেত্রে দুর্দান্ত পরিকাঠামো রয়েছে। প্রয়োজনে মেলে পূর্ণ সরকারি সহায়তাও। ক্রীড়াক্ষেত্রে উন্নতি দেশের সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্যও। আর তাই বিশ্বের বহু নামী টুর্নামেন্টের আসর বসে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। তবে এদেশের জনসংখ্যা খুবই কম। বেশিরভাগই ভিনদেশী। কর্মসূত্রে সেদেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন।
এই প্রসঙ্গে আমিরাত অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের স্ট্রাটেজিক ডিরেক্টর হরমীক সিং এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান, আমরা খুবই তরুণ দেশ। বেশিদিন হয়নি স্বাধীনতা অর্জন করেছে দেশটি। দেশের অধিকাংশ ভিনদেশী, যারা কিনা কর্মসূত্রে এদেশের নাগরিকত্ব নিয়েছেন।
তবে আমরা চেষ্টা করছি সবাই মিলে যাতে আমাদের দেশকে ক্রীড়াক্ষেত্রে আরও উঁচুতে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়। এর সঙ্গেই তিনি যোগ করেন, হয়তো আরব আমিরাত খেলার দুনিয়ায় তেমন সাফল্য পায়নি, কিন্তু এখানকার পরিকাঠামো থেকে শুরু করে সমস্ত আধুনিক সরঞ্জাম, উন্নতমানের স্টেডিয়াম, যাতায়াত ব্যবস্থা এবং অন্যান্য বিষয় বাকি দেশগুলোর থেকে অনেকটাই এগিয়ে। তাই সবারই প্রথম পছন্দে স্থান পায় সংযুক্ত আরব আমিরাত।