নড়াইলে আটটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সততা স্টোর স্থাপনে দুদকের চেক প্রদান

153

নড়াইলকণ্ঠ ॥ নড়াইলে ৮টি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্টানে সততা স্টোর স্থাপনের জন্য ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার (ডিইও) অফিস কক্ষে ৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকের নিকট এ চেক হস্তান্তর করা হয়।

চেক বিরতণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত যশোর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. নাজমুচ্ছায়াদাত, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী হাফিজুর রহমান, দুদক যশোরের পরিদর্শক মনির হোসেন, জেলা শিক্ষা অফিসের সহকারি পরিদর্শক মো. নাজমুল আলম প্রমুখ।

উল্লেখ্য, প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকার চেক দেয়া হয়। যে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এ অর্থ দিয়ে ‘সততা স্টোর’ পরিচালনা করবে সে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সমূহ হচ্ছে- নড়াইল সদরের বল্লারটোপ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাইজপাড়া আদর্শ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, শাহাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, লোহাগড়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, কাশিরপুর এ সি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কালিয়ার শেখ ফজিলাতুনেচ্ছা মুজিব উচ্চ বিদ্যালয়, শাহাবাগ ইউনাইটেড একাডেমি।

উল্লেখ্য, ছাত্রছাত্রীদের মাঝে নৈতিকতা জাগ্রত করতে বিদ্যালয়ে ‘সততা স্টোর’ করার উদ্যোগ নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক)। ‘সততা স্টোর’ এমন একটি দোকান যেখানে কোনো বিক্রেতা থাকবে না। ক্রেতা তার প্রয়োজনীয় জিনিসটি নিয়ে উল্লেখিত মূল্য বাক্সে রেখে চলে যাবেন। ক্রেতা মূল্য পরিশোধ করলো কি করলো না এই ‘সততা স্টোরে’ দেখার কেউ নেই। এখানে ক্রেতার সততা, নিষ্ঠা প্রকাশিত হবে প্রতি মুহূর্তে।

২০১৬ সালের মে মাসে দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্যদের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছিলেন, ‘ভয় দিয়ে কোনো কিছু জয় করা যায় না। আমি মনে করি, দুদককে বাঘের সঙ্গে তুলনা করা উচিত নয়। যারা দুর্নীতিবাজ, কেবল তারাই দুদককে ভয় পাবে। আমি বিশ্বাস করি, ভয় দিয়ে নয়, সম্মান ও সততা দিয়ে দুর্নীত প্রতিরোধ করতে হবে।’ সবাই মিলে একই প্রক্রিয়ায় কাজ না করলে দুর্নীতি স্থায়ীভাবে কমানো যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। (প্রথম আলো ১৯ মে ২০১৬)