দরিদ্র জনগণের কথা চিন্তা করে নমুনা ফি কমানো হয়েছে -স্বাস্থ্যমন্ত্রী

57

দরিদ্র জনগণের কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় কোভিড-১৯ টেস্টের ফি কমানো হয়েছে বলেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

ফি নির্ধারণ করার পর থেকেই করোনা পরীক্ষার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে যায়। তবে এবার ফি কমিয়ে দেয়ার কারণে নমুনা টেস্টের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। আজ বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জনগণের দিকে তাকিয়েই করোনাভাইরাস পরীক্ষার ফি কমানো হয়েছে। ফলে এখন থেকে নমুনা টেস্টের সংখ্যা বাড়বে।

তিনি বলেন, ‘ফি নির্ধারণ করার কারণে অনেক দরিদ্র মানুষ পরীক্ষা করতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনার পর তিনি কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, হাসপাতালে ২০০ টাকার যে ফি ধরা হয়েছিল সেটা কমিয়ে ১০০ টাকা করতে এবং বাড়িতে পরীক্ষা করাতে ৫০০ টাকা ফি যেন ৩০০ টাকা করা হয়।’

ফলে এখন থেকে নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বাড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, টেস্ট বাড়ুক, এটা সবাই চায়। ভাইরাসটিতে সংক্রমিত ব্যক্তি চিহ্নিত হোক এবং তাদের সেবার আওতায় আনা হোক। কিন্তু টেস্টের সংখ্যা সেভাবে না বাড়ায় সংক্রমিত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা যাচ্ছে না।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের এখন যথেষ্ট ল্যাব রয়েছে। কিটেরও কোনো অভাব নেই। তাই আশা করছি ফি কমানোর কারণে আগামীতে করোনা পরীক্ষার সংখ্যা বাড়বে।

এর আগে গত জুন মাসে হঠাৎ করেই নমুনা পরীক্ষায় ফি নির্ধারণ করে সরকার। ওই সময় সরকারি ও সরকার নির্ধারিত করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নমুনা পরীক্ষার ফি ২০০ টাকা এবং বাসায় গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করলে ফি ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

উল্লেখ্য, বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে করোনার নমুনা পরীক্ষার ফি আগেই ৩৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বাসা থেকে নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার জন্য ফি নির্ধারণ করা হয় ৪৫০০ টাকা।