সরকার গণস্বাস্থ্যকে এনওসি দিয়েছে

27

ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের প্রণয়ন করা নতুন নীতিমালা অনুযায়ী কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষা করাতে যেসব সরঞ্জাম প্রয়োজন, সেগুলো আমদানিতে সরকারের অনাপত্তিপত্র (এনওসি) পেয়েছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। আজ বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকে তথ্যটি জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত কিটের গবেষক দলের প্রধান বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল।

তিনি বলেন, কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষা করাতে যেসব সরঞ্জাম প্রয়োজন, সেগুলো আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। আসতে ১৫ দিনের মতো সময় লাগতে পারে। এরপরই আবারও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষা করানো হবে।

ড. বিজন কুমার শীল বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) নীতিমালা অনুযায়ী টেস্ট করতে হলে স্যাম্পলগুলো এরাইজার কিট দিয়ে ক্যারেক্টারাইজড করে তারপর করতে হবে। কিন্তু রিএজেন্ট বা এরাইজার কিট বাংলাদেশে নেই। সেটি আনার জন্যই ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

দেশে পৌঁছানোর পর বিএসএমএমইউতে এটা ব্যবহার করে স্যাম্পল ক্যারেক্টারাইজ করে তারপর টেস্ট করা হবে। কারণ তারা এটা আগেও করেছে, বিষয়টা জানে। তাই আমার মনে হয়, সেখানেই করাটা ভালো হবে, যোগ করেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের এই বিজ্ঞানী।

তিনি বলেন, এফডিএর নীতিমালা অনুযায়ী কিটের সক্ষমতা যাচাই করতে বিএসএমএমইউ সক্ষম। রিএজেন্ট চলে এলেই তারা এটা করতে পারবে। আগে কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষা করাতে বেশি সময় লাগালেও এবার দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে পারবে। কারণ গতবার পরীক্ষা করা হয়েছিল ৫০০টি স্যাম্পল। কিন্তু এবার করা হবে ১২০টি।

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের শুরুর দিকে দ্রুত করোনা শনাক্তে অ্যান্টিজেন্ট ও অ্যান্টিবডি কিট উদ্ভাবন করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। অনেক আলোচনা-সমালোচনার পর বিএসএমএমইউতে কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষা করাতে সক্ষম হয় প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে তখন কিটের অনুমোদন মেলেনি। পরে ওষুধ প্রশাসন থেকে তাদের কিটের মানোন্নয়নের কথা বলা হয়েছে।