মোদির সফরে লাভ হবে কি? ধন্দে হাসিনা -আনন্দবাজার

25

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মূল বক্তা হিসেবে যোগ দেয়ার কথা! দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত সৈয়দ মুয়াজ্জেম আলীর বরাত দিয়ে বিষয়টি জানায় ‘দ্য হিন্দু’। এবার ‘মোদির সফরে লাভ হবে কি? ধন্দে হাসিনা’ শিরোনামে আজ শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আনন্দবাজার পত্রিকা।
এতে বলা হয়েছে, এনআরসি ও নতুন নাগরিকত্ব আইন নিয়ে মোদি সরকারের পদক্ষেপ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সংসদে দেয়া বক্তব্যে যথেষ্ট বিড়ম্বনায় পড়েছে বাংলাদেশের শেখ হাসিনা সরকার।
এর কারণ হিসেবে ঢাকা সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, একদিকে হাসিনা আমলে মোদির সম্পর্কের বহু বিজ্ঞাপিত ‘সোনালি অধ্যায়’কে সামনে এনে বিঁধছে বিরোধী দল বিএনপি। অন্যদিকে বাংলাদেশজুড়ে তৈরি হওয়া ‘ভারত-বিরোধিতা’ ক্রমশ আওয়ামী লীগ-বিরোধিতায় পরিণত হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশ চাপে রয়েছেন শেখ হাসিনা।
আওয়ামী লীগকে উদ্ধৃত করে আরও বলা হয়েছে, এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে আগামী মার্চ মাসে শেখ মুজিবের জন্মশতবর্ষ পালনের উৎসবে নরেন্দ্র মোদির সম্ভাব্য উপস্থিতি বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনা কতটা সুবিধা পাবেন, তা নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বলা হচ্ছে, মোদির এ সফর সামনে রেখে শেখ মুজিবের জন্মশতবর্ষ উদযাপনে বেশ কিছু যৌথ উদ্যোগ তুলে ধরে শীতলতা কাটানোর চেষ্টা করছে ভারত। বাংলাদেশে হাই কমিশনারের দায়িত্ব পালন করে আসা হর্ষবর্ধন শ্রিংলা পররাষ্ট্র সচিবের দায়িত্ব পাওয়ার পর এ প্রক্রিয়া আরো গতি পাবে।
এমতাবস্থায় বাংলাদেশের অনুষ্ঠানে মোদিকে মধ্যমণি করা শেখ হাসিনার কাছে মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এ তথ্য দিয়ে ঢাকা সূত্রের বরাত দিয়ে আনন্দবাজার বলেছে, দলের মধ্যে এমন প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে যে, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে মোদি বা তার দলের সম্পর্ক না থাকায় তার উপস্থিতি বাড়তি বিড়ম্বনার কারণ হতে পারে।
এ প্রতিবেদনের শেষ দিকে গত সপ্তাহে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফাখরুল ইসলাম আলমগীরের তিন পৃষ্ঠার বিবৃতির কথা উল্লেখ করে বলা হয়, তিনি ভারতের নতুন নাগরিকত্ব আইন ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করেছেন।
এই নাগরিকত্ব নীতি বৈষম্যমূলক আখ্যায়িত করে বিএনপি বলেছে, বাংলাদেশকে পাকিস্তানের সঙ্গে এক কাতারে রাখা ‘অপব্যাখ্যামূলক, অসত্য, বিভ্রান্তিকর’। এর ফলে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের পর নতুন করে শরণার্থী সমস্যা তৈরি হবার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, এনআরসি ও নতুন নাগরিকত্ব আইন নিয়ে মোদি সরকারের পদক্ষেপ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সংসদে দেয়া বক্তব্যে যথেষ্ট বিড়ম্বনায় পড়েছে বাংলাদেশের শেখ হাসিনা সরকার।
এর কারণ হিসেবে ঢাকা সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, একদিকে হাসিনা আমলে মোদির সম্পর্কের বহু বিজ্ঞাপিত ‘সোনালি অধ্যায়’কে সামনে এনে বিঁধছে বিরোধী দল বিএনপি। অন্যদিকে বাংলাদেশজুড়ে তৈরি হওয়া ‘ভারত-বিরোধিতা’ ক্রমশ আওয়ামী লীগ-বিরোধিতায় পরিণত হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশ চাপে রয়েছেন শেখ হাসিনা।
আওয়ামী লীগকে উদ্ধৃত করে আরও বলা হয়েছে, এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে আগামী মার্চ মাসে শেখ মুজিবের জন্মশতবর্ষ পালনের উৎসবে নরেন্দ্র মোদির সম্ভাব্য উপস্থিতি বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনা কতটা সুবিধা পাবেন, তা নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
আরো বলা হচ্ছে, মোদির এ সফর সামনে রেখে শেখ মুজিবের জন্মশতবর্ষ উদযাপনে বেশ কিছু যৌথ উদ্যোগ তুলে ধরে শীতলতা কাটানোর চেষ্টা করছে ভারত। বাংলাদেশে হাই কমিশনারের দায়িত্ব পালন করে আসা হর্ষবর্ধন শ্রিংলা পররাষ্ট্র সচিবের দায়িত্ব পাওয়ার পর এ প্রক্রিয়া আরো গতি পাবে।
এমতাবস্থায় বাংলাদেশের অনুষ্ঠানে মোদিকে মধ্যমণি করা শেখ হাসিনার কাছে মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এ তথ্য দিয়ে ঢাকা সূত্রের বরাত দিয়ে আনন্দবাজার বলেছে, দলের মধ্যে এমন প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে যে, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে মোদি বা তার দলের সম্পর্ক না থাকায় তার উপস্থিতি বাড়তি বিড়ম্বনার কারণ হতে পারে।
এ প্রতিবেদনের শেষ দিকে গত সপ্তাহে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফাখরুল ইসলাম আলমগীরের তিন পৃষ্ঠার বিবৃতির কথা উল্লেখ করে বলা হয়, তিনি ভারতের নতুন নাগরিকত্ব আইন ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করেছেন।
এই নাগরিকত্ব নীতি বৈষম্যমূলক আখ্যায়িত করে বিএনপি বলেছে, বাংলাদেশকে পাকিস্তানের সঙ্গে এক কাতারে রাখা ‘অপব্যাখ্যামূলক, অসত্য, বিভ্রান্তিকর’। এর ফলে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের পর নতুন করে শরণার্থী সমস্যা তৈরি হবার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।