ইসলাম প্রচার ও প্রসার ও চর্চা : বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

1601

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ইসলামের প্রচার, প্রসার এবং চর্চায় বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকেই কাজ করে আসছে।

এক নজরে বাংলাদেশে ইসলাম প্রচারে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অবদান জেনে নেওয়া যাক-
– কওমী শিক্ষা ব্যবস্থার সরকারী স্বীকৃতি। কওমী সনদে সরকারি এবং বেসরকারী চাকরি সুযোগ।
– বিশ্ব ইজতেমার জন্য টঙ্গিতে সরকারী জায়গা বরাদ্দ ।
– আল-কুরআনের ডিজিটালাইজেশন।
– ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ।
– দেশের ৩১টি কামিল মাদ্রাসায় অনার্স কোর্স চালুকরণ।
– যোগ্য আলেমদের ফতোয়া প্রদানে মহামান্য আদালতের ঐতিহাসিক রায়।
– জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সৌন্দর্য বর্ধন ও সম্প্রসারণ। সুউচ্চ মিনার নির্মাণ। দক্ষিণ প্রান্ত সম্প্রসারণ। মহিলাদের নামায কক্ষ ও স্থান সম্প্রসারণ।
– ইসলামিক ফাউন্ডেশন লাইব্রেরী ভবন নির্মাণ।
– বাংলাদেশে ইসলামের প্রচার বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও সৌদি আরব সরকারের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর।
– হজ্জ ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার।
– জেদ্দা হজ্জ টার্মিনালে ‘বাংলাদেশ প্লাজা’ স্থাপন।
– আশকোণা হজ্জ ক্যাম্পের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি।
– রেকর্ড সংখ্যক হজ্জ যাত্রী প্রেরণ।
– হজ্জ ব্যবস্থাপনায় সৌদি সরকারের স্বীকৃতি।
– মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমে আলেম-ওলামাদের কর্মসংস্থান ও বেতন ভাতা বৃদ্ধি।
– শিশু ও গণশিক্ষা এবং কুরআন শিক্ষা কার্যক্রমে মহিলাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহণ।
– জাতীয় শিক্ষা নীতিতে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমকে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার অংশ হিসেবে অন্তর্ভূক্তিকরণ।
– কওমী মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সনদের সরকারী স্বীকৃতির জন্য আলাদা কমিশন গঠন।
– ১,০০০ টি বেসরকারী মাদ্রাসার একাডেমিক ভবন নির্মাণ।
– প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন।
– ইমাম প্রশিক্ষণ কার্যক্রম।
– ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন।
– ইসলামী প্রকাশনা প্রকল্প বাস্তবায়ন।
– ইসলামিক মিশন কেন্দ্রের মাধ্যমে চিকিৎসা-সেবা প্রদানের ব্যবস্থা।
– মসজিদ পাঠাগার স্থাপন প্রকল্প বাস্তবায়ন।
– ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম ডিজিটালে রূপান্তর।
– জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস প্রতিরোধ ও সামাজিক সমস্যা সমাধানে কর্মসূচী বাস্তবায়ন।
– মসজিদ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান।
– চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক আন্দরকিল্লাহ শাহী জামে মসজিদের উন্নয়নে বিশাল অংকের বাজেট অনুমোদন।
– চট্টগ্রাম জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদ কমপ্লেক্স ফাউন্ডেশনের অনুকূলে ন্যস্তকরণ।
– পবিত্র রমযানে মসজিদে মসজিদে কুরআন শিক্ষা প্রদানের ব্যবস্থা।
– সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে গণ সচেতনতামূলক কর্মসূচী গ্রহণ।
– আন্তর্জাতিক হিফজ, ক্বিরাত ও তাফসীর প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশী প্রতিনিধি প্রেরণ।
– জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অনুমোদিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন মডেলে ইসলামী মূল্যবোধের প্রতিফলন।
– ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম উপজেলা পর্যায়ে সম্প্রসারণের ঘোষণা ও বাস্তবায়ন।
– প্রতি জেলা ও উপজেলা সদরে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের আদলে মসজিদ নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও উপজেলা পর্যায়ে একটি করে মসজিদ সরকারীকরণ।
– একটি গ্রাম একটি মক্তব চালু করার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ।

তথ্য সূত্র : banglaramra.com