মাশরাফি সকাল হতে না হতেই সাকিবকে দেখতে ছুটে গেলেন অ্যাপোলো হাসপাতালে

66

এশিয়া কাপের মিশন শেষে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। শনিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১১ টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আসেন। এরপর সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথোপকথন শেষে বাড়ি ফিরেছেন মধ্যরাত।

রবিবার(৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে ঘুম থেকে উঠে নাশতা সেরেই মোটরসাইকেলে চেপে সরাসরি চলে গেলেন রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে। যেখানে ভর্তি রয়েছেন বাংলাদেশে ক্রিকেট দলের টেস্ট ও টিয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

তাকে দেখার উদ্দেশ্যে মাশরাফি হাসপাতালে যান। বেলা ১১ টার দিকে হাসপাতালে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টা সময় কাটান সাকিবের সঙ্গে। এসময় দুজনই আফসোস-অনুশোচনায় পুড়েছেন শিরোপা জিততে না পারায়।

দুজনের আলাপে সাকিবের খেলতে না পারার কথা উঠে এসেছে বারবার। সাকিব থাকলে কখন কি করতেন, কোন সময়ে সাকিবের বোলিংটা বেশি দরকার ছিল, অমন উড়ন্ত সূচনার পরে ওয়ানডাউনে সাকিবকে পেলে ইনিংসের চালচিত্র ভিন্ন হতে পারতো- এমন আফসোস মাখা কথাবার্তাই মাশরাফির মুখে ছিলো বেশি।

এসময় সাকিবের সাথে থাকা ঘনিষ্ঠ বন্ধু খান নয়ন জানান, মেহেদি হাসান মিরাজও আজ সকালে সাকিবকে দেখতে এসেছিলেন। মজার ঘটনা হলো আগের রাতে প্রথমবারের মতো পিতা হওয়া ডানহাতি পেসার তাসকিন আহমেদ এসেছিলেন নিজের টেনশন দূর করতে, প্রিয় বড় ভাইয়ের সাথে খানিক আড্ডা দিতে।

এদিকে মাশরাফি আসার আগে রোববার সাকিবের খোঁজখবর নিতে হাসপাতালে আসেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। তিনিও প্রায় আধ ঘণ্টা কাটান সাকিবের সাথে। সাকিবের বাঁহাতের কণিষ্ঠা আঙুলের সর্বশেষ অবস্থা কি তা নিয়েও কথা বলেন পাপন।

সাকিবের বন্ধু নয়ন জানিয়েছেন আজ সকালে ডাক্তার যখন রাউন্ডে আসেন তখন সাকিব ঘুমাচ্ছিলেন। তাই দুপুরের পরে আবার ডাক্তার আসবেন, দেখে অবস্থা বুঝে সিদ্ধান্ত দেবেন। আঙুলে জমে যাওয়া পুঁজ নিষ্কাশনের পর ঘা শুকাতে অ্যান্টিবায়োটিক চলছে। চিকিৎসকরা মনে করলে আজই সাকিবকে ছুটি দিয়ে দিতে পারেন।

তারপর বাসায় চিকিৎসা চলবে। আঙুলের ইনফেকশন পুরোপুরি না সারা পর্যন্ত সাকিবের উন্নত চিকিৎসার জন্য সাকিবের দেশের বাইরে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। তার মানে ইনফেকশন মুক্ত হবার অপেক্ষা আগে। তার পর মূল চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাওয়া।