সিঙ্গাপুরে শহীদ দিবস ও আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন

0
54
Tuli-Art Buy Best Hosting In chif Rate In Bd

সিঙ্গাপুরস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশনের উদ্যোগে যথাযথ মর্যাদায় ও ভাব গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে শহীদ দিবস ও আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। সকালে হাই কমিশন প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও অর্ধনমিতকরণের মাধ্যমে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সূচনা করেন হাই কমিশনার জনাব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান। এরপর তিনি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শহীদ মিনারের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
উপস্থিত কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা শহীদ মিনারে পুষ্পাজ্ঞলী অর্পণ করেন। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে দিবসটি উপলক্ষ্যে প্রেরিত মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। অতঃপর ভাষা আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। শহীদদের আত্মার মাগফেরাত ও দেশের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে প্রথম পর্বের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
অনুষ্ঠানমালার দ্বিতীয় পর্বে সন্ধ্যায় হাই কমিশন মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পেশাজীবি, শিক্ষাবিদ, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও প্রবাসী বাংলাদেশীরা এতে অংশগ্রহণ করেন। হাই কমিশনার জনাব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান তাঁর বক্তৃতায় মহান ভাষা আন্দোলনে জীবন উৎসর্গকারী বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ভাষা আন্দোলন সহ প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অসামান্য অবদান শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ পূূর্বক তাকে বাঙালী জাতির অধিকার আদায় ও আশা আকাঙ্খার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন।
হাই কমিশনার তাঁর বক্তৃতায় ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক ২১ ফেব্রুয়ারীকে আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রাপ্তির লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব ও নির্দেশনায় যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অবদান রেখেছিলেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশীদেরকে ভাষা আন্দোলন, দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে আরও অধিকতর মাতৃভাষার চর্চা ও দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশে ভ’মিকা রাখার আহবান জানান।

অনুষ্ঠানমালার অন্যতম আকর্ষণ ছিল মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন। স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় দেশাত্ববোধক গান, গীতি আলেখ্য, কবিতা আবৃত্তি এবং শিশুদের অভিনয়ে ভাষা আন্দোলন কে উপজীব্য করে নাটিকা দর্শক-শ্রোতাগণ আনন্দচিত্তে উপভোগ করেন। অনুষ্ঠান শেষে অভ্যাগত অতিথিগণকে বাংলাদেশী খাবার সহযোগে আপ্যায়ন করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here