Tuli-Art Buy Best Hosting In chif Rate In Bd

নড়াইলের লোহাগড়ার দিঘলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা শেখ লতিফুর রহমান পলাশ(৫২) কে প্রকাশ্য দিবালোকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে হত্যার ঘটনায় শনিবার রাতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহতের ভাই সাইফুর রহমান হিলু বাদি হয়ে লোহাগড়া থানায় ১৫জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-২৫,তারিখ- ১৭/০২/১৮।
লোহাগড়া থানার ওসি(তদন্ত) মোঃ মনিরুল ইসলাম মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করেছেন। এদিকে, লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, মামলার প্রধান আসামী কুমড়ি গ্রামের মৃত ছালাম শরীফের ছেলে নড়াইল জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক শরীফ মনিরুজ্জামান মনির কে নড়াইলের সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ মেহেদি হাসান এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ১৭ ফেব্রয়ারি ঢাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে। রোববার(১৮ ফেব্রæয়ারি) বেলা সাড়ে ১১ টায় শরীফ মনিরুজ্জামানকে লোহাগড়া থানায় আনা হয়েছে। মামলার ২নং আসামী শরীফ মনিরুজ্জামানের ভাই বাকিবিল্লাহ আগেই আদালতের নির্দেশে জেল হাজতে রয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪০ এর দিকে উপজেলা পরিষদের পরিসংখ্যান অফিসের পাশে রাস্তার মোড়ে শেখ লতিফুর রহমান পলাশ কে গুলি করে এবং কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর লোহাগড়া থানা পুলিশ সন্দেহভাজন চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। আটককৃতরা হলেন দিঘলিয়া ইউপি মেম্বর বাটিকা বাড়ি গ্রামের মহিউদ্দিন কাজীর ছেলে (হত্যাকান্ডের সময় চেয়ারম্যানের সাথে থাকা মোটরসাইকেল আরোহী) ফরিদ আহম্মেদ বুলু কাজী(৪৭), কুমড়ি গ্রামের মৃত ছালাম শরীফের ছেলে বাকি বিল্লাহ(৩৭), কুমড়ি গ্রামের সোহেল খানের স্ত্রী রিজিয়া সুলতানা, লোহাগড়া পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের রাজুপুর গ্রামের সাত্তার শেখের ছেলে মিরান শেখ(২৫)। আটককৃতদের শনিবার দুপুরে ৫৪ ধারায় আদালতে প্রেরণ করেছে লোহাগড়া থানা পুলিশ। আদালত ওই চারজনকে কারাগারে প্রেরণ করেছে।
বিভিন্ন সূত্র জানায়, কুমড়ি গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুটি পক্ষের মধ্য বিরোধ চলছিল। এর আগেও দুর্বৃত্তরা চেয়ারম্যানকে কয়েকদফায় হত্যার পরিকল্পনা করে ব্যর্থ হয়। কুমড়ি গ্রামের দ্বন্ধই এ হত্যাকান্ডের বড় কারণ হতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা ও নিহতের পরিবার। নিহত চেয়ারম্যানের ভাই সাইফুর রহমান হিলু অভিযোগ করেন, কুমড়ি গ্রামের প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসী ও এলাকার চিহ্নিত চাঁদাবাজ,সন্ত্রাসীদের অপকর্মের প্রতিবাদ করায় সন্ত্রাসীরা আগেই শেখ লতিফুর রহমান পলাশকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল। তারাই পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। নিহত লতিফুর রহমান পলাশ কুমড়ি গ্রামের মৃত গোলাম রসুল শেখের ছেলে।