Tuli-Art Buy Best Hosting In chif Rate In Bd

দিনভর নানা আলোচনা-যুক্তিতর্কের পর কারাগারে ডিভিশন পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। জানা গেছে, জেলকোডের ৬১৭ ধারা অনুযায়ী সর্বোচ্চ সুবিধা পাবেন তিনি। এর আগে, সকালে তাঁকে ডিভিশন দেয়ার নির্দেশ দেন, বিশেষ জজ আদালত- ৫ এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামান। এই আদালতেই সাজা হয়েছিল খালেদা জিয়ার। রায়ের সার্টিফায়েড কপির জন্যও আবেদন করেছিলেন আইনজীবীরা।

দিনভর নানা আলোচনার পর আদালতের নির্দেশে খালেদা জিয়ার ডিভিশন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইজি প্রিজন্স ব্রি. জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দীন। সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে রাখা হয়েছে মহিলা ওয়ার্ডের দ্বিতীয় তলায়। বলেন, কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুবিধার্থেই তাকে পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের মহিলা ওয়ার্ডের দ্বিতীয় তলায় সরিয়ে নেয়া হয়েছে। জেলের খাবার নিয়ে তিনি আপত্তি করছেন না। এমনটাই জানিয়েছেন আইজি প্রিজন্স।বলেছেন, সবসময় একজন চিকিৎসক, চারজন মহিলা কারারক্ষী খালেদা জিয়ার দেখাশোনার দায়িত্বে রয়েছেন।

এতিমদের অর্থ আত্মসাত মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত খালেদা জিয়ার ঠিকানা পুরাতন ঢাকার পরিত্যক্ত জেলখানা। বৃহস্পতিবার দুপুরে রায় ঘোষণার পর বকশীবাজারের অস্থায়ী আদালত থেকে এখানেই আনা হয় তাকে। সাথে ছিল গৃহপরিচারিক ফাতেমা। খালেদা জিয়াকে রাখা হয় প্রধান ফটকের কাছে সাবেক সিনিয়র জেল সুপারের কক্ষে। তখন ব্যক্তিগত ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রেখে দেয়ার কাজে সহযোগিতা করে ফাতেমা। দেড়ঘণ্টা পর তাকে সেখান থেকে বের করে দেয়া হয়। কারণ কারাবিধি অনুযায়ী দণ্ডিত আসামির সাথে ব্যক্তিগত কর্মচারী রাখার সুযোগ নেই।

এদিকে, কারা ফটকে মানুষের আনাগোনার বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন খালেদা জিয়া। এ জন্য শুক্রবার রাতে তাকে সরিয়ে নেয়া হয় মহিলা ওয়ার্ডের ভেতরে ডেকেয়ার সেন্টারের দ্বিতীয় তলায়। সেখানে দেয়া হয় খাট, ফ্রিজ, টিভিসেট। কারা মহাপরিদর্শক ব্রি. জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দীন

খালেদা জিয়ার রান্নার আয়োজন সাবজেলের ভেতরেই। খাবার মেন্যু জেলকোড অনুযায়ী দেয়া হচ্ছে। ডাক্তারি পরীক্ষার পরই খাবার পরিবেশন করা হয়। জেলকোড অনুযায়ী কয়েদীর পোষাক পড়েই থাকছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক রাষ্ট্রপতির সহধর্মিনীকে।