নড়াইলের কালিয়ার আজমাল হত্যার আসামি মিকান গ্রেফতার

230

নড়াইল কণ্ঠ : নড়াইলের কালিয়ার চাঁচুড়ি ইউনিয়নের বনগ্রাম কালডাঙ্গা গ্রামের আজমাল হত্যার অন্যতম খুনি আসামি মিকানকে (৩৫) সিআইডি পুলিশ গ্রেফতার করেছে। সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে কালডাঙ্গা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক কাঞ্চন রায়ের নেতৃত্বে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মিকান মোল্যা (৩৫) কালডাঙ্গা গ্রামের মৃত আকছির মোল্যার ছেলে।
এলাবাসির সূত্রে জানায় যায়, মিকান আজমাল হত্যার আসামি মিকানকে পুলিশ আটক করায় এলাকায় শান্তি ফিরে এসেছে। এলাকার শান্তিপ্রিয় জনগণের দাবি আজমল হত্যাকান্ডে জড়িত প্রকৃত খুনিদের আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করে উপযুক্ত বিচার করতে হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৫ আগস্ট সন্ধ্যায় চাঁচুড়ি ইউনিয়নের কালডাঙ্গা গ্রামের কৃষক আজমল ফকির খুন হন। তাকে চাঁচুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান লুৎফর রহমানের ভাই মশিয়ার রহমানের নেতৃত্বে সোহেল মোল্যা, মিকান মোল্যা, তারেক মোল্যা, সাইফুল শেখ ও তরিকুল মোল্যাসহ একদল দুর্বৃত্ত কুপিয়ে হত্যা করে।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে গত ২৮ আগস্ট বনগ্রামে শোক সভা ও দোয়া মাহফিল এর আয়োজন করা হয়েছিল। ওই সভাকে পন্ড করতে ও প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মশিয়ার রহমান ও তার অনুসারিরা এ খুন করে। এরপর তারা কৃষক আজমল খুনের দায়ভার প্রতিপক্ষের উপর চাপাতে কালিয়া থানায় প্রতিপক্ষের নিরীহ লোকজনের নামে এজহার দাখিল করে। এলাকায় লুটপাট ও আধিপত্য বিস্তারের জন্য এর আগেও মশিয়ার বাহিনী নিজ দলের লোক এনায়েত ফকিরকে খুন করেছিল।
এদিকে নিহত আজমলের আত্মীয় পাভেল মোল্যা বাদী হয়ে গত ২৮ আগস্ট ২০১৭ তারিখ চাঁচুড়ি ইউনিয়ন আ’লীগের বহিস্কৃত সভাপতি মশিয়ার রহমান ও ৬ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আসলাম মোল্যাসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। আদালত সংশ্লিষ্ট থানাকে মামলাটি রেকর্ড করে তদন্তের নির্দেশ দেয়। তিনি দাবি করেন পুলিশ নিরপেক্ষ তদন্ত করলে প্রকৃত খুনিরা চিহিৃত হবে। পরে সিআইডি মামলা তদন্ত করছে।