লোহাগড়ায় ১৬ ডিসেম্বর পালিত হচ্ছে বিছিন্ন ঘটনার মধ্যে দিয়ে

118

নড়াইল কণ্ঠ : নড়াইলের লোহাগড়ায় মহান বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে শহীদ মিনারে ফুল দেওয়াকে কেন্দ্র করে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের নেতা কর্মিদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে ৭ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। এসময় সাধারন সম্পাদক সমর্থিত লোকেরা বিজয় দিবসের অভিবাদন মঞ্চ দখল করে নেয়। বর্তমান দু’গ্রুপের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

জানা গেছে, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ১৬ (ডিসেম্বর) শনিবার সকাল ৮ টার দিকে লক্ষীপাশা মোল্যার মাঠে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দেওয়াকে কেন্দ্র করে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ ফয়জুল আমীর লিটু সমর্থিত নেতা-কর্মীদেও সাথে প্রতিপক্ষ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শিকাদার আঃ হান্নান রুনু সমর্থিত নেতা-কর্মীদের ধাওয়া করলে উভয় গ্রুপের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে আওয়ামী লীগের নেতা সরদার আঃ হাই, উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি মোজাম খাঁন, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক শেখ ছদরউদ্দিন শামিম, জসিম, উজ্জল,শুভ আহত হয়। এক পর্যায়ে সাধারন সম্পাদক সমর্থিত নেতা-কর্মীরা বিজয় দিবসের অভিবাদন মঞ্চ দখল নিলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শিকদার আঃ হান্নান রুনু সমর্থিত নেতা-কর্মীরা মঞ্চ ছেড়ে পৌর আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে অবস্থান নেয়। এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শিকদার আঃ হান্নান রুনু শহীদ মিনারে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের চিহিৃত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানান। সাধারন সম্পাদক সৈয়দ ফয়জুল আমির লিটু বলেন,ফুল দেওয়ার সময় সভাপতির লোকজন মহিলাদেরসহ আমার লোকজনের উপর হামলা চালালে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম বলেন,বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।সংঘর্ষ এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে উপজেলা প্রশাসনের পরিচালনায় ছালাম গ্রহন করেন সংসদ সদস্য এ্যাড. শেখ হাফিজুর রহমান। এ সময় ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ ফয়জুল আমীর লিটু, উপজেলা র্নিবাহী অফিসার মনিরা পারভীন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ফকির মফিজুল হক। পরে মার্চ প্যারেডে অংশ নেয় সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্কুল কলেজ এর ছেলেমেয়েরা কুজকাওয়াজে অংশ নেয় এবং বিভিন্ন ডিসপ্লে প্রদর্শন করে। অনুষ্ঠান শেষে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদেও মাঝে পুরস্কার বিতরন করেন উপজেলা প্রশাসন। তার আগে ভোরে মিনি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়।
দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্দোগে মুক্তিযোদ্ধা ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।