নড়াইলে যথাযথ মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালিত

130

নড়াইল কণ্ঠ : প্রত্যুষে ৩১বার তপোধ্বনির মধ্যদিয়ে নড়াইলে মহান বিজয় দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। সুর্যোদয়ের সাথে সাথে জেলা শিল্পকলা একাডেমী চত্বরে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে জাতীয় ও মুক্তিযুদ্ধের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
পরে নড়াইল জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, জেলা ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা পরিষদ, উপজেলা প্রশাসন, নড়াইল পৌরসভা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নড়াইল জেলা ও তার অঙ্গ সংগঠন, জাতীয় পার্টি, জেলা বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পাটির্, জাসদ (আম্বিয়া), জেলা আইনজীবি সমিতি, নড়াইল প্রেসক্লাব, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি, সততা সংঘ, এনজিওদের সমন্বয়কারী সংগঠন এডাবসহ বিভিন্ন সরকারী দপ্তর, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি দেওয়া হয়।
এরপর জজকোর্ট সংলগ্ন চিত্রা নদীর পাড়ে বধ্যভূমি ও শহরের রূপগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড চত্বরে গণকবরে শ্রদ্ধাঞ্জলি ও শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় নড়াইল জেলা প্রশাসক মোঃ এমদাদুল হক চৌধুরী, পুলিশ সুপার সরদার রকিবুল ইসলাম (অতিরিক্ত ডিআইজি), জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো: সোহরাব হোসেন বিশ্বাস, ডিডিএলজি মো: সিদ্দিকুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কামরুল আরিফ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কাজী মাহাবুবুর রশীদ, জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি সুবাস চন্দ্র বোস, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার এমএম গোলাম কবির, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মনিরুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা সেলিমসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নড়াইল জেলার উদ্যোগে সকালে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন নেতৃবৃন্দ।
সকাল সাড়ে ৮টায় বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ স্টেডিয়ামে পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটিসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কুচকাওয়াজ ও শরীরচর্চা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়া জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসন বনাম পৌরসভার মধ্যে প্রীতি ফুটবল খেলা, হাসপাতাল ও কারাগার ও এতিমখানায় বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা, শহীদরে আত্মার মাগফেরাত কামনায় দুপুরে বিভিন্ন মসজিদে বিশেষ দোয়া, মন্দির ও গীর্জায় প্রার্থনা, সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে দিবসটি পালিত হয়। বিজয় দিবস উপলক্ষে সরকারী ও আধা সরকারী ও শায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে আলোকসজ্জ্বা করা হয়।