চাষিরা আমনের বাম্পার ফলনে খুশি

122

নড়াইল কণ্ঠ: মাঠে মাঠে দুলছে কৃষকের সোনালি স্বপ্ন আমন ধান, কোথাও কোথাও চলছে কাটা-মাড়াই। বাম্পার ফলনের আশায় উৎসবমুখর পরিবেশ বরিশালের চাষিদের ঘরে ঘরে।

কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি বছরে বিভাগের ৬ জেলায় মোট ৭ লাখ ২৩ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আমনের আবাদ করা হয়েছে। যার মধ্যে ৩৪০ হেক্টরে হাইব্রিড, ৩ লাখ ২৯ হাজার ৫৯৭ হেক্টরে উফসি এবং ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৫৬৩ হেক্টরে স্থানীয় জাতের চাষ করা হয়। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৬ লাখ ৩১ হাজার ৬৮৫ মেট্রিকটন চাল।
এরই মধ্যে ৫ শতাংশের বেশি ধান কাটা হয়ে গেছে বলেও জানিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তারা।
৬ জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ পটুয়াখালী জেলায় ২ লাখ ২ হাজার ৬১৩ হেক্টর ও সর্বনিম্ন ঝালকাঠিতে ৫০ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আমনের আবাদ করা হয়েছে। বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ লক্ষ্যমাত্রাও ধরা হয়েছে পটুয়াখালীতে ৫ লাখ ৭৬৩ মেট্রিকটন ও সর্বনিম্ন ঝালকাঠিতে ১ লাখ ১৭ হাজার ৭৫০ মেট্রিকটন চাল।
কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হওয়ায় এবং সামনের কয়েকটা দিন ভালো কাটলে বরিশাল বিভাগে আমন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা এবার শতভাগ অর্জিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বরিশাল আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক তুষার কান্তি সমদ্দার।
বরিশাল নগরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বর্গাচাষি আ. জব্বার জানান, গত বছরের চেয়ে এ বছর খরচ কিছুটা বাড়লেও উৎপাদন ভালো হয়েছে। মৌসুমের শেষ দিকে বৃষ্টি না হলে উৎপাদন আরো বেশি হতো। শেষদিকের বৃষ্টিতে কিছু ধানে চিটা দেখা দিয়েছে। কাটা শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা না গেলেও এর পরিমাণ ৫-১০ শতাংশ হতে পারে।
তবে বরিশাল জেলা কৃষি অফিসের উপ-পরিচালক রমেন্দ্র নাথ বাড়ৈ জানান, বৃষ্টি নয়, কিছু ক্ষেতে বীজের কারণে চিটা দেখা দিতে পারে, যা লক্ষ্যমাত্রায় কোনো ব্যাঘাত ঘটাবে না।