নড়াইল জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদককে হত্যা প্রচেষ্টাকারীদের বিচার না হওয়ায় প্রতিবাদী সমাবেশ

574

নড়াইল কণ্ঠ : বাংলাদেশের ওয়ার্কাস পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা ও নড়াইল জেলা সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলামকে হত্যা প্রচেষ্টাকারীদের বিচার না হওয়ায় প্রতিবাদী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছ। বুধবার (২৫ আক্টোবর) বিকেলে শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে নড়াইল জেলা ওয়ার্কাস পার্টি এ প্রতিবাদী সমাবেশের আয়োজন করে। প্রতিবাদী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নড়াইল-২ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য, বাংলাদেশের ওয়ার্কাস পার্টির জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড শেখ হাফিজুর রহমান।
এ সময় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশের ওয়ার্কাস পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য কমরেড বিমল বিশ্বাস,পলিটব্যুরো সদস্য ও যশোর জেলা সভাপতি কমরেড ইকবাল কবীর জাহিদ, নড়াইল জেলা জাসদের (আম্বিয়া) সভাপতি অ্যাডভোকেট হেমায়েতুল্লাহ হিরু, জাতীয় পার্টির শরীফ মুনির হোসেন, জেলা সম্পাদক কমরেড অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম, মোল্যা শাহাদৎ হোসেন, সহকারী অধ্যাপক মলয় কান্তি নন্দী, জেলা নারী মৈত্রীর নেত্রী ও সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান স্বপ্না সেন, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদকীয় মন্ডলী সদস্য নওরোজ মোল্যা, জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন, কমরেড আমিরুল ইসলাম, জেলা ছাত্রলীগের সহ সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান, জেলা যুব মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক পারভেজ আলম বাচ্চু, জেলা ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি প্রতীক বিশ্বাস সাধন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, পুলিশ সরকারের পেটুয়া বাহিনী হিসেবে কাজ করছে। ছাত্রলীগের গুন্ডা বাহিনী কমরেড নজরুলকে হত্যা প্রচেষ্টার পরেও কেন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। আসামীরা বীরদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ১ বছরেও মামলার কোন প্রতিবেদন দাখিল করেনি পুলিশ। কমরেড ইকবাল কবীর জাহিদ বলেন, কয়েক মাস আগে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড ফজলে হোসেন বাদশা এমপিকে বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি কথা দিয়েছিলেন এই ঘটনার বিচার করবেন, তিনি কথা রাখেননি, আওয়ামী লীগকে এখন বিশ্বাস করা যায়?
উল্লেখ্য, নড়াইলে লটারীর নামে জুয়াখেলা বন্ধ করার ব্যাপারে স্থানীয়ভাবে আন্দোলন গড়ে তোলেন কমরেড নজরুল ইসলামসহ স্থানীয় সুধীসমাজ। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ২০১৬ সালের ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান মুকুল এর নেতৃত্বে ১০/১২ জন তাকে (নজরুল) রূপগঞ্জ এলাকায় লাঠি ও লোহার রড় দিয়ে পিটিয়ে মারাতœকভাবে আহত করে। এঘটনায় ছাত্রলীগের সাধারল সম্পাদক আশরাফুজ্জামান মুকুল সহ ৬/৭ জনের নামে থানায় মামলা হলেও পুলিশ কোন পদক্ষেপ নেয়নি।
এ ব্যাপারে নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ দেলোয়ার হোসেন জানান, ভাই এই ঘটনার ২/৩জন কে আটক করা হয়েছিলো, পরে তারা জামিন পেয়েছে কিনা জানিনা। আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এমন প্রশ্ন এড়িয়ে যান এই কর্মকর্তা।