আগামীকাল গণমানুষের সুলতানের ২৩তম মৃত্যুবার্ষিকী

210

নড়াইল কণ্ঠ : বিশ্ব বরেণ্য চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের ২৩তম মৃত্যু বার্ষিকী আগামীকাল ১০ অক্টোবর মঙ্গলবার। ১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর যশোরের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে শিল্পী সুলতান মারা যান। সুলতান ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোঃ এমদাদুল হক চৌধুরী দিবসটি পালন উপলক্ষে সুলতান ফাউন্ডেশন ও জেলা প্রশাসন বিশ্ব বরেণ্য শিল্পীর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, মাজার জিয়ারত, কোরআনখানি, মিলাদ মাহফিল আলোচনা সভার আয়োজন করেছে বলে জানান।
চিত্রা পাড় ঘেসে সবুজ শ্যামল ছায়াঘেরা, পাখির কলকাকলীতে ভরা শহরের মাছিমদিয়া গ্রামে ১৯২৪ সালের ১০ আগস্ট জন্ম গ্রহণ করেন শিল্পী এস এম সুলতান (লাল মিয়া)। পিতা মোঃ মেছের আলি আর মাতা মোছাঃ মাজু বিবি।
চিত্রশিল্পী এস, এম, সুলতানের ৭০ বছরের জীবনে তিনি তুলির আঁচড়ে দেশ, মাটি, মাটির গন্ধ আর ঘামে ভেজা মেহনতী মানুষের সাথে নিজেকে একাকার করে সৃষ্টি করেছেন ‘পাট কাটা’, ‘ধানকাটা’, ‘ধান ঝাড়া’, ‘জলকে চলা’, ‘চর দখল’, ‘গ্রামের খাল’, ‘মৎস্য শিকার’, ‘গ্রামের দুপুর’, ‘নদী পারা পার’, ‘ধান মাড়াই’, ‘জমি কর্ষনে যাত্রা’, ‘মাছ ধরা’, ‘নদীর ঘাটে’, ‘ধান ভানা’, ‘গুন টানা’, ‘ফসল কাটার ক্ষনে’, ‘শরতের গ্রামীন জীবন’, ‘শাপলা তোলা’ মত বিখ্যাত সব ছবি। ১৯৫০ সালে ইউরোপ সফরের সময় যৌথ প্রদর্শনীতে তার ছবি সমকালনী বিশ্ববিখ্যাত চিত্র শিল্পী পাবলো পিকাসো, ডুফি, সালভেদর দালি, পলক্লী, কনেট, মাতিসের ছবির সঙ্গে প্রদর্শিত হয়। সুলতানই একমাত্র এশিয়ান শিল্পী যার ছবি এসব শিল্পীদের ছবির সঙ্গে একত্রে প্রদর্শিত হয়েছে। কালোর্ত্তীন এই চিত্রশিল্পী ১৯৮২ সালে একুশে পদক, ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের রেসিডেন্স আটির্ষ্ট হিসেবে স্বীকৃতি, ১৯৮৬ সালে চারুশিল্পী সংসদ সম্মাননা এবং ১৯৯৩ সালে রাষ্টীয় ভাবে স্বাধীনতা পদক প্রদান করা হয়।