নড়াইলে ইউপি চেয়ারম্যান ও পুলিশের নামে আদালতে মামলা

353

নড়াইল কণ্ঠ : নড়াইল সদর উপজেলা বিছালী ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীদের বাড়িতে পুলিশী তান্ডবের অভিযোগ এনে বিছালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিচুর রহমান, বিছালী পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এস, আই খায়রুল ইসলামসহ ৮ জনের নাম উল্লেখসহ নেমপ্লেটবিহনী ৫/৬ জন পুলিশ সদস্য অজ্ঞাত আরো ৫-৬ জনকে আসামী করে নড়াইলের আমলী আদালতে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। বিজ্ঞ আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ জাহিদ হাসান মামলাটি আমলে নিয়ে জুডিসিয়াল তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার আসামীরা হলেন বিছালী ফাড়ির ইনচার্জ এস আই খায়রুল ইসলাম, বিছালী ইউপি চেয়ারম্যান আনিচুর রহমান, চাকই গ্রামের মাজেদ শেখের ছেলে মামুন শেখ, আছাদ শেখের ছেলে জুয়েল শেখ, তাঞ্জেল বিশ্বাসের ছেলে এরশাদ বিশ^াস, মৃত সফে শেখের ছেলে মাজেদ শেখ, আছাদ শেখের ছেলে লাবলু শেখ, ধলু মল্লিকের ছেলে মনিরুল মল্লিকসহ অজ্ঞাত ৫/৬ এবং নেমপ্লেট বিহীন ৫/৬ জন পুলিশ সদস্য।
রবিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে নড়াইলের আমলী আদালতে দায়েরকৃত মামলার এজাহার সূত্রে জানাগেছে, বিছালী ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান অনিচুর রহমানের সাথে সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বিছালী গ্রামের সৈয়দ রিয়জ আলীর বিরোধ চলে আসছিল। এঘটনার জের ধরে গত ১ অক্টোবর মির্জাপুর গ্রামের মুরাদ শেখের ছেলে চেয়ারম্যানের সমর্থক জুয়েল শেখকে প্রতিপক্ষের লোকজন মারে বলে অভিযোগ।
এ ঘটনায় বিছালী ইউপি চেয়ারম্যান অনিচুর রহমান বিছালী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে ম্যানেজ করে বিছালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক চাকই গ্রামের ইদ্রিস আলী শেখসহ হামিদ শেখ ও হিমায়েত বিশ্বাস হিমুর বাড়িতে পুলিশী তল্লাশীর নামে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই ইউনিয়নের চাকই গ্রামের ইদ্রিস শেখের মেয়ে স্বর্নালী খানম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার বাদীপক্ষের পক্ষের আইনজীবী আজিজুল ইসলাম জানান, বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে জুডিসিয়াল তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আমামী ১৫ নভেম্বরে মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।