যশোরকে বিভাগ ঘোষনার দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি

111

নড়াইল কণ্ঠ : বৃহত্তর যশোরকে নিয়ে পৃথক “যশোর বিভাগ” ঘোষনার দাবি জানিয়ে নড়াইলের জেলা প্রশাসক ও জেলা পরিষদের প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে যশোর বিভাগ আন্দোলন পরিষদের নেতৃবৃন্দ। মঙ্গলবার (১৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় প্রথম জেলা প্রশাসকের অনুপস্থিতিতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো: রায়হান কাওছার এবং পরে জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোসের নিটক এ স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়। এসময় প্রকৌশলী সৈলেন্দ্র নাথ সাহা, যশোরের সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সভাপতি হারুন অর রশীদ, যশোর বিভাগ আন্দোলন পরিষদের আহবায়ক প্রকৌশলী আবদুস সাত্তার, সহ-সভাপতি কাজী হাফিজুর রহসান, সদস্য  সচিব হাবিবুর রহমান খান, সিপিবি’র নড়াইল জেলা সভাপতি খোন্দকার শওকত হোসেন, নড়াইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এনামুল কবীর টুকু, সাবেক সদরের ভাইস চেয়ারম্যান বেলাল আহম্মেদ, সমাজকর্মী শেখ হানিফ, বাঘারপাড়া আ’লীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক খায়রুল ইসলাম, বাঘারপাড়ার জাতীয পার্টির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, সিনিয়র সাংবাদিক সাথী তালুকদার, যশোর ইনফো সদস্য মাহাবুবুর রশীদ লাভলু, শিক্ষক মোয়াজ্জেম, এসএম জিরু প্রমুখ।

জেলা পরিষদের প্রশাসকের নিকট স্মারকলিপি প্রদান শেষে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনায় জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস বলেন, যশোরকে বিভাগ বাস্তবায়ন করতে হলে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর নিকট সরাসরি প্রস্তাব নিযে যেতে হবে। আপনারা প্রস্তুতি নেন আমি সর্বাত্বকভাবে সহযোগিতা করবো।

এসময় যশোর বিভাগ আন্দোলনের আহবায়ক প্রকৌশলী আবদুস সাত্তার বলেন, যশোরকে বিভাগ করা হলে এই জেলাগুলোর প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা সহজতর হবে। যশোরের বাড়তি সুবিধা হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ৩৬০ দরজার দ্বি-তল কালেক্টরেট ভবন, যে ভবনটি খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের চেয়ে বড়। কাজেই যশোর বিভাগ হলে এই ভবন থেকেই বিভাগীয় সব দাপ্তরিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা সম্ভব হবে।  তাই বিভাগীয় কার্যালয় ভবন নির্মাণের জন্য সরকারের নতুন কোন অর্থ ব্যয় করতে হবে না। এছাড়া বেনাপোল বন্দর থেকে বছরে যে তিন হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়, যশোর বিভাগ হলে উন্নয়ন কর্মকান্ডে এই টাকা থেকে বরাদ্দ পাওয়া সহজ হবে।