নড়াইল মুক্ত দিবস পালিত

118

নড়াইল কণ্ঠ : বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) নড়াইল মুক্ত দিবস পালিত দিবসটি পালিত হয়েছে। ১৯৭১ সালের এইদিনে হানাদারমুক্ত হয় নড়াইল। নড়াইল মুক্ত দিবস উপলক্ষে জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ও জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সকাল ৭টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে  জাতীয় ও মুক্তিযুদ্ধের পতাকা উত্তোলণ করা হয়। স্বাধীনতা স্মৃতিস্তম্ভ, জজকোর্ট সংলগ্ন বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভে ও রূপগঞ্জ ওয়াপদায় গণকবরে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। এসময় শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

এরপর সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে এক বণার্ঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালি শেষে আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক মোঃ হেলাল মাহমুদ শরীফ, জেলা পরিষদ প্রশাসক সুবাস চন্দ্র বোস, পুলিশ সুপার সরদার রকিবুল ইসলাম, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার গোলাম কবির, ডেপুটি কমান্ডার এসএ মতিনসহ মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর নড়াইলের মুক্তিপাগল দামাল ছেলেরা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে সম্মুখ যুদ্ধে পরাজিত করে নড়াইলকে মুক্ত করেন।

রূপগঞ্জ ওয়াপদায় গণকবরে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করার পর এক সংক্ষিপ্ত বক্তেব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাভোকেট ফজলুর রহমান জিন্নাহ্ পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসকের প্রতি উদ্দেশ্য করে বলেন, এই মাটিতে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের জন্ম, নড়াইল স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। স্বাধীনতা যুদ্ধকালে পিচ কমিটির চেয়ারম্যন কুখ্যাত রাজাকার সোলায়মান ও (মৃত্যু জীবিত) তারসহচরদের নেতৃত্বে নড়াইলে তিন হাজারের অধিক স্বাধীনতাকামী মানুষকে হত্যা করা হয়। তারা আজও নড়াইল তথা বাংলার মাটিতে দাম্ভিকতার সাথে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাদের মধ্যে সদর উপজেলার ভদ্রবিলা ইউনিয়নের ফুলশ্বর গ্রামের স্বাধীনতাকামীদের জবাইকারী জল্লাদ আব্দুল ওহাব ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাকে অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় এনে বিচার কার্য শুরু করতে হবে।