নড়াইলে অগ্নিকান্ডে ৩০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি

891

নড়াইলকণ্ঠ ॥ নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার দু’টি গ্রামের ৭টি পরিবারের অন্তত ১০টি ঘর পুড়ে গেছে। দু’টি অগ্নিকান্ডে নগদ টাকা, মুল্যবান জিনিসপত্রসহ ৩০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।
দমকল বাহিনী ও এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে, সোমবার (৮ মে) বিকালে উপজেলার নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের আড়পাড়া গ্রামে ইকলাজ জমাদ্দারসহ পাঁচটি বসতঘরসহ ৮টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ইকলাজ জমাদ্দারের রান্নাঘর থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়। এরপর আগুনের লেলিহান শিখা পাশ^বর্তী আজাদ জমাদ্দার, মিল্টন জমাদ্দার, কবুল জমাদ্দার ও আনু বেগমের বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেও প্রচন্ড তাপের কারণে ব্যর্থ হয়। খবর শুনে লোহাগড়া থেকে দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
লোহাগড়া ফায়ার সার্ভিস এ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মোঃ আয়ুব হোসেন জানান, খবর শুনে ঘটনাস্থলে পৌছানোর আগেই সব পুড়ে যায়। যার কারনে ঘটনাস্থলে না গিয়েই ফিরে আসতে হয়।
নোয়াগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম কালু জানান, অগ্নিকান্ডে ৫টি পরিবারের ৬টি বসতঘরসহ ৮টি ঘর সহ যাবতীয় মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সব মিলিয়ে ১২ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এদিকে রোববার (৭ মে) দুপুর তিনটার দিকে লোহাগড়ার জয়পুর ইউনিয়নের চাচই গ্রামের পুলিশ কনস্টবল মোঃ নুর ইসলামের বাড়িতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আগ্নিকান্ডে দু’টি বাড়ি পুড়েগেছে।
মাগুরা পুলিশ লাইনে কর্মরত পুলিশ কনস্টবল মোঃ নুর ইসলামের বড় ভাই প্রফেসর বদরুদ্দৌজা বাবলু জানান, আগুনে টিভি, ফ্রিজ, ডাইনিং টেবিল, বক্্রখাট, ওয়ারড্রপ, শোকেস, ড্রেসিং টেবিল, ৭টি সিলিং ফ্যান, রাইস কুকার, পেশার কুকারসহ মূল্যবান আসবাবপত্র ও নগদ টাকাসহ ১৫ লক্ষাধিক টাকার মালামাল আগুনে পুড়েছে। অপর ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার জানায়, তাদের মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩ লাখ টাকা। আগুন নেভাতে গিয়ে পাঁচজন আহত হয়।