নড়াইলে মৃতদেহ উদ্ধার, অভিযোগ পরিকল্পিত হত্যা

683

নড়াইলকণ্ঠ ॥ নড়াইলের মল্লিকপুর ইউনিয়নের আশরাফ মল্লিক (৪৫) এর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে লোহাগড়া পৌর এলাকা ৪নম্বর ওয়ার্ডের নড়াইল ডিসি অফিসে কর্মরত সিরাজুল ইসলামের নির্মাণাধিন বাড়ি থেকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়।
এদিকে, পরিবারের দাবি আশরাফকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহৃ রয়েছে। তার নামে গ্রাম্য দাঙ্গা-হাঙ্গামার তিনটি মামলা রয়েছে।
আশরাফের ভাতিজা আলমগীর মল্লিক জানান, মল্লিকপুর গ্রামে প্রতিপক্ষের লোকজন পরিকল্পিতভাবে তার চাচাকে (আশরাফ) হত্যা করেছে।
এদিকে আশরাফের চাচতো ভাই ফুল মিয়া মল্লিক (৬৫) জানান, গত বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) বিকাল ৫টার দিকে লোহাগড়া পুলিশ ধরার জন্য তাড়া করে। এর পর থেকে আশরাফ নিখোঁজ হন।
মল্লিকপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল সিকদার বলেন, আশরাফ মল্লিক নিরিহ ছেলে হিসেবে জানি, সে কোন খারাপ কাজের সাথে জড়িত থাকে নাই। আমি নিশ্চিত পরিকল্পিত ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। পুলিশ প্রশাসন এ হত্যাকান্ডের সঠিক তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার কার্য করতে আইন আমলে সপর্দ করবে। যদি প্রশাসনের মাধ্যমে এ হত্যার সঠিক বিচার না হয়, তাহলে মল্লিকপুর ইউনিয়নবাসিসহ লোহাগড়ার সকল দলমত মিলে আশরাফের সঠিক বিচারের দাবিতে বিশাল আন্দোলনে নামবে।
লোহাগড়া থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ৮টার দিকে লোহাগড়া পৌরসভার কাউন্সিলর সংবাদেরভিত্তিতে সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে আশরাফের মৃতদেহ মুখ থুবড়ে পড়ে ছিল। লাশের শরীরে আঘাতের কোনো চিহৃ দেখা যায়নি বলে দাবি করেন তিনি। ময়নাতদন্ত রিপোর্টের পর আশরাফের মৃত্যুর বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে মন্তব্য করেন ওসি।
আশরাফ দোয়ামল্লিকপুর গ্রামের মৃত কুটি মিয়া মল্লিকের ছেলে। তার দুই স্ত্রী, শিল্পী ও সোহেলী, দুই ছেলে ও ১ মেয়ে। সে গার্মেন্ট ব্যবসা করতো।