নড়াইলে পরাজিত প্রার্থীর চাঁদা দাবি, আদালতে মামলা

399

নড়াইলকণ্ঠ ॥ নড়াইলে এক সদস্য প্রার্থীর বিরূদ্ধে নির্বাচনে হেরে গিয়ে ভোটারদের নিকট চাঁদা দাবি ও মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারী) নড়াইল আমলী আদালতে মামলা হয়েছে। বিজ্ঞ বিচারক নয়ন বড়াল মামলাটি আমলে নিয়ে নড়াইল সদর থানার ওসি কে অভিযোগটি এজহার হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার বাদি ও এলাকাবাসি সূত্রে জানা যায়, নড়াইল সদর উপজেলার মুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ অধিকারির ছেলে শেখর অধিকারি জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৭নং ওয়ার্ড সদস্য পদে নির্বাচন করে মাত্র ৮ ভোট পেয়ে পরাজিত হন। পরাজিত হয়ে তিনি পিতার পরিষদের ইউপি সদস্যদের উপর ক্ষিপ্ত হন। ভোটের দিন বিকেলে বাড়ির পাশ দিয়ে যাবার সময় ভ্যান থেকে জোর করে নামিয়ে নিয়ে যান ইউপি সদস্য আনন্দ বিশ্বাস, অপূর্ব বিশ্বাস ও সুন্দরী বালা বাগচীকে। তাদেরকে চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ অধিকারির বাড়ি আটকে রেখে মারপিট করেন। প্রত্যেকের নিকট এক লাখ টাকা করে চাঁদা দবি করেন। টাকা না দিলে সুন্দরীর ইজ্জত লুট ও অন্যদের হত্যা করার হুমকি দেয়। সংবাদ পেয়ে সুন্দরীর স্বামী নগদ ৩০ হাজার টাকা দিয়ে তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। সন্ত্রাসীদের মারপিটে মারাতœক আহত আনন্দ বিশ্বাসকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন এবং আহত অপূর্ব বিশ্বাসকে বাড়ি পৌছে দেন। এ ঘটনায় ইউপি সদস্য সুন্দরী বালা বাগচী ৮ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে মামলা দায়ের করেন। এ মামলার আসামিরা হলো মুলিয়া ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের পরাজিত সদস্য প্রার্থী শেখর অধিকারি, গোপাল হাজরার পুত্র হিটলার হাজরা, সাতঘরিয়া গ্রামের নিখিল মোহন্ত’র ছেলে নিতীশ মোহন্ত, রবীন রায়’র ছেলে সবুজ রায়, অশ্বিনী মোহন্ত’র ছেলে নীলকান্ত মোহন্ত , বড়েন্দার গ্রামের গোপাল সরকারের ছেলে স্বরূপ সরকার, মুলিয়া গ্রামের দুলাল বিশ্বাসের ছেলে রাজু বিশ্বাস ও বাসুদেব বিশ্বাসের ছেলে বিশ্ব বিশ্বাস।
এ ব্যাপারে শেখর অধিকারির সাথে যোগাযোগের জন্য বার বার চেষ্টা করেও তাকে মোবাইলে (০১৯৯১৬১৫৪৮৯) পাওয়া যায়নি।