পরিসংখ্যানের খাতায় বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড

126

নিউজিল্যান্ডকে বলা হয়ে থাকে বাংলাদেশের প্রিয় প্রতিপক্ষ। দু’দলের শেষ দুটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজের ফলাফলের দিকে তাকালেই যার প্রমাণ পাওয়া যাবে। জিম্বাবুয়ে ছাড়া কিউইরাই একমাত্র টেস্ট খেলুড়ে দেশ যাদের বিপক্ষে একাধিক সিরিজে হোয়াইট ওয়াশের কীর্তি আছে টাইগারদের। তবে এর আগে বাংলাদেশের সুখস্মৃতি নেই বললেই চলে। দেশে কিংবা বাইরে, বরাবরই দাপট দেখিয়েছে নিউজিল্যান্ড।

গেলো দু’বছরে নিজেদের মাঠে দারুণ খেলা মাশরাফিদের এবার চ্যালেঞ্জ বিদেশেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখার। কিন্তু নিউজিল্যান্ডের মাটিতে তাদের হারানো কতটা কঠিন, পরিসংখ্যান ঘাটলেই তা পরিষ্কার হবে।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ হারার আগে ঘরের মাটিতে বাংলাদেশ জিতেছিল টানা ৬ সিরিজ। ঠিক তেমনি নিউজিল্যান্ডও নিজেদের মাঠে অপ্রতিরোধ্য। ২০১৪’র অক্টোবরের পর থেকে খেলা ৫ হোম সিরিজেই জিতেছে কিউইরা।

ব্ল্যাকক্যাপদের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ৮ ওয়ানডে জয়ের সবগুলোই দেশের মাটিতে। মাঝে বিশ্বকাপের একটি ম্যাচ খেললেও, দ্বিপাক্ষিক সিরিজে প্রায় ৭ বছর পর বাংলাদেশকে আতিথ্য দিবে কিউইরা। বিশ্বকাপের ম্যাচটি বাদ দিলে, নিউজিল্যান্ডের মাটিতে আগের ৬ ম্যাচে মাত্র একবারই স্বাগতিকদের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পেরেছিল বাংলাদেশ।

ক্রাইস্টচার্চের ল্যাঙ্কাস্টার পার্কে সেই ম্যাচে ইমরুল কায়েসের সেঞ্চুরিতে গড়া ২৪১ রান দ্বিপাক্ষিক সিরিজে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর। আর বিশ্বকাপে মাহমুদুল্লাহ’র অতিমানবীয় ইনিংসে টাইগাররা করেছিল ২৮৮ রান।

এবার বক্সিং ডে ওয়ানডের ভেন্যু ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলি ও ভাল। যে মাঠে খেলা ৪ ম্যাচে শতভাগ জয়ে ছড়ি ঘুরিয়েছেন ব্ল্যাকক্যাপস পেস অ্যাটাক। ছবির মত সুন্দর এই মাঠে নিউজিল্যান্ডের বোলারদের নেয়া ৩৯ উইকেটের ৩৩ টিই নিয়েছেন পেসাররা। বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে যে পেস বান্ধব উইকেট হতে যাচ্ছে, তা সহজেই অনুমেয়।