লোহাগড়ায় এলাকাবাসীর হত্যক্ষেপে বাল্যবিয়ে বন্ধ

280

নড়াইলকণ্ঠ ॥ নড়াইলের লোহাগড়ায় এলাকাবাসীর হত্যক্ষেপে বাল্যবিয়ে বন্ধ হলেও অজানা কারণে প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করছে।
জানা গেছে, সোমবার (১২ ডিসেম্বর) রাতে উপজেলার শালনগর ইউনিয়নের ভদ্রডাঙ্গা গ্রামের চিত্র বিশ^াসের মেয়ে এলএসজেএন মাধ্যামিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী সোনালী স্বর্ণা (১৩)’র সাথে নড়াইল জেলার পান্তিতা গ্রামের দেবেন বিশ^াসের ছেলে সাধান বিশ^াস (২৭)’ সাথে বিয়ের দিন ধার্য ছিলো। বাল্যবিয়ে বন্ধের জন্য এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সেলিম রেজার কাছে লিখিত ভাবে অভিযোগ করেন। ইউএনও ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মৌসুমী রাণী মজুমদার বিষয়টি অবগত হলেও অদৃশ্য কারণে সন্ধ্যা থেকে মোবাইল বন্ধ রেখে কোন দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকে। পরে ওই বাড়িতে রাতে এলাকাবাসী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত হয়ে বাল্যবিয়ের অপরাধ ও কুফল সর্ম্পকে অবহিত করলে উভয় পরিবার বিয়ে বন্ধ করে দেয়। এ ঘটনায় প্রশাসনের গাফিলতিতে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। উল্লেখ্য, লোহাগড়া উপজেলায় গত তিন মাসে ১৩টি বাল্যবিয়ে সম্পন্ন হলেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বাল্যবিয়ে বন্ধের কোন ভুমিকা নেয়নি। প্রশাসনের এ ধরনের নিরব ভূমিকার কারণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বর্তমানে বাল্যবিয়ের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বাল্যবিয়ে বন্ধের বিষয়ে ইউএনও’র কাছে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি কোন সদউত্তর না দিয়ে বিরুপ মন্তব্য করেন।