নড়াইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীর স্বাক্ষর জাল করে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের অভিযোগ

880

নড়াইলকণ্ঠ ॥ নড়াইল জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারে মো: সোহরাব হোসেন বিশ্বাসের স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মো: সোহরাব হোসেন বিশ্বাস অভিযোগ করেন কে বা কারা তার স্বাক্ষর জাল করে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের জন্য জেলা রির্টানিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো: হেলাল মাহমুদ শরীফের নিকট জমা দিয়েছেন।
রবিবার ( ১১ ডিসেম্বর) বিকাল ৫টায় আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী বাদে অন্য তিনজন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। যারা প্রত্যাহার করেনে তার হলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কমিটির যুগ্ম সম্পাদক, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো: সোহরাব হোসেন বিশ্বাস, সাবেক সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি সাঈফ হাফিজুর রহমান খোকন, জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক খোন্দকার মাসুদ হাসান।
এদিকে মো: সোহরাব হোসেন বিশ্বাস অভিযোগ করেন, তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। কে বা কারা তার নাম করে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারে একটি আবেদন জেলা রির্টানিং অফিসারের নিকট জমা দিয়েছেন।
পরবর্তীতে সোহরার বিশ্বাসের লিখিত এবং মোখিক শিকারোক্তি মোতাবেক আবেদন যাচাই করে রাত ৮টার দিকে পুনরায় মো: সোহরাব বিশ্বাসকে নির্বাচনে বহাল রাখার সুপারিশ করে নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়।
মো: সোহরাব বিশ্বাস বলেন, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে প্রতিপক্ষের লোকেরা এমন কাজ করে আমাকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে রাখতে চেয়েছেন।
অপরদিকে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী সৈয়দ আইয়ুব আলী বলেন, মো: সোহরাব হোসেন বিশ্বাস সকল নেতাদের মধ্যস্ততায় আমার কাছ থেকে টাকা নিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাড়ান এবং গোপনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের কাগজে সই করেন। তিনি ভূয়া স্বাক্ষর করতেই পারেন, এটা তার চালাকি।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন কালেরকন্ঠ কে বলেন, তিন জনের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদনপত্র আমরা পাই তবে স্বাক্ষর অনেক সময় বোঝা যায়না। ওনার স্বাক্ষর সঠিক ছিলো না, নির্বাচন কমিশন কে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
জেলা রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোঃ হেলাল মাহমুদ শরীফ বলেন, প্রত্যাহারের আবেদন পাবার পর আমি সহকারী রিটানিং কর্মকর্তাকে পরীক্ষা করে ব্যবস্থা নেবার কথা বলেছি। আমরা প্রার্থীর সাথে ফোনে কথা বলে নিশ্চিত হচে চেয়ে ওনাকে পাওয়া যায়নি।
এদিকে সহকারী রির্টানিং অফিসার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, তিন জনের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদনপত্র আমরা পাই তবে স্বাক্ষর অনেক সময় বোঝা যায়না। ওনার স্বাক্ষর সঠিক ছিলো না, নির্বাচন কমিশনকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
জেলা রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোঃ হেলাল মাহমুদ শরীফ বলেন, প্রত্যাহারের আবেদন পাবার পর আমি সহকারী রিটানিং কর্মকর্তাকে পরীক্ষা করে ব্যবস্থা নেবার কথা বলেছি। আমরা প্রার্থীর সাথে ফোনে কথা বলে নিশ্চিত হতে চেয়ে ওনাকে পাওয়া যায়নি।
রাত ৯টার দিকে রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোঃ হেলাল মাহমুদ শরীফ জানান, নির্বাচন কমিশনের সাথে যোগাযোগ করে পু:নরায় মো: সোহরাব হোসেন বিশ্বাসের আবেদন গ্রহণ করে তার মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার বিরত করা হয়েছে।
নির্বাচনে ৪জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেন। প্রার্থীরা হলেন, জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি সৈয়দ আইয়ুব আলী (দলীয় মনোনীত প্রার্থী), জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কমিটির যুগ্ম সম্পাদক, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো: সোহরাব হোসেন বিশ্বাস, সাবেক সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি সাঈফ হাফিজুর রহমান খোকন, জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক খোন্দকার মাসুদ হাসান।