বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

110

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন প্রতিষ্ঠার আট বছরেও পূর্ণতা পায়নি বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন জাদুঘর ও গ্রন্থাগার। মুক্তিযুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয়ের মাত্র ছয়দিন আগে খুলনার রুপসা নদীতে শত্রু পক্ষের সাথে সম্মুখ সমরে শহীদ হন এই বীর যোদ্ধা। আজ তার ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী।
বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের স্মৃতি রক্ষায় নোয়াখালির সোনাইমুড়িতে ২০০৮ সালের ১২ মার্চ চালু হয় বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন গ্রন্থাগার ও জাদুঘর। তার পরিবারের দেয়া ২০ শতক জমিতে নির্মিত ভবনে রাখা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন আলোকচিত্র, পোস্টার, সাময়িকী ও বই।
এটি শুধু নামেই স্মৃতি জাদুঘর। নেই এই বীর যোদ্ধার ব্যবহৃত কোনো সামগ্রি। কিছু বই থাকলেও অর্থাভাবে গ্রন্থাগারটি বন্ধের উপক্রম।
বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের একটি আবক্ষ মূর্তি নির্মাণ ও তার ব্যবহৃত সামগ্রী এ স্মৃতি জাদুঘরে রাখার দাবি দর্শণার্থী ও এলাকাবাসীর।
এর উন্নয়নে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সাথে কাজ করতে চায় জেলা পরিষদ।
১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোহাম্মদ রুহুল আমীনসহ স্বাধীনতা যুদ্ধের সাত বীর সন্তানকে মরণোত্তর বীরশ্রেষ্ঠ উপাধী দেয় সরকার।