রিজার্ভের অর্থ চুরি বাংলাদেশ ব্যাংকের ৫ কর্মকর্তার অসতর্কতা দায়ী

179

রিজার্ভ চুরির ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পাঁচজন কর্মকর্তার অবহেলা ও অসতর্কতাও দায়ী। চুরির ঘটনা তদন্তে সরকারের করা তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
বৃহস্পতিবার ওই তদন্ত কমিটির প্রধান বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিনের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ কথা জানিয়েছে। তবে ওই পাঁচ কর্মকর্তার নাম জানাননি তিনি। গত মে মাসে ওই তদন্ত কমিটি সরকারের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্স বলেছে, রিজার্ভ চুরির ঘটনায় এখন পর্যন্ত ব্যাংকের কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে রয়টার্সের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট বা হিসাব থেকে গত ৫ ফেব্রুয়ারি (৪ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে) মোট ১০ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার চুরি হয়। সাইবার হামলা ঠেকানোর মতো ফায়ারওয়াল না থাকায় এবং সুইফটের সঙ্গে যুক্ত নেটওয়ার্ক সুইচের দুর্বলতার কারণে এ অর্থ চুরি হয়েছে। এর মধ্যে ফিলিপাইনে ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার যায়। বাকি দুই কোটি ডলার যায় শ্রীলঙ্কায়। শ্রীলঙ্কা থেকে দুই কোটি ডলার আগেই বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে ফিরে এসেছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়। আর ফিলিপাইন থেকে দেড় কোটি ডলার পাওয়া গেছে। বাকি অর্থ আদায়ের প্রক্রিয়া এখনো চলছে।