নিরাপদ খাদ্যপ্রাপ্তি সবার সাংবিধানিক অধিকার-খাদ্যমন্ত্রী

118

খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, নিরাপদ খাদ্যপ্রাপ্তি সবার সাংবিধানিক অধিকার। আর এ অধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার খাদ্য কর্তৃপক্ষ গঠন করেছে। আমাদের লক্ষ্য, খাদ্য উৎপাদন থেকে খাবার টেবিল পর্যন্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এজন্য সরকারের ৪৮০টি বিভাগ একসাথে কাজ করছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। ভেজাল রোধে দ্রুত ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার চালু করা হবে।
খাদ্যে ভেজাল ও দূষণ প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে যশোর শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতে ‘নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ বাস্তবায়নে জনসচেতনতা’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় খাদ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
খুলনা বিভাগীয় কমিশনার আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ দাnk_november_2016_216রা বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছি। ৯০ শতাংশের বেশি মানুষের তিনবেলা খাদ্য নিশ্চিত করার সক্ষমতা অর্জন করেছি। এরপর তিনি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। আইন করা হয়েছে। খাদ্য কর্তৃপক্ষ করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হয়েছে বলে আমরা বা আমাদের সন্তানরা বহুদূও যেতে পারছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্ব বিশ্বে আজ প্রতিষ্ঠিত। তিনি জাতি গঠনের জন্য নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, ‘আমাদের সবার সাথে কানেকটিভিটি গড়ে তুলতে হবে। সবাইকে স্বাধীনভাবে কথা বলতে দিতে হবে। আমাদের মধ্যে যে শাসকের মানসিকতা রয়েছে, তা বাদ দিতে হবে। আমাদের মধ্যে জাতীয়তাবাদের অভাব রয়েছে। ভারতে তা তীক্ষ্ণ। তারা আমাদেও দেশ থেকে সোনা নিয়ে ফেনসিডিল দেয়। আমরা সানন্দে তা গ্রহণ করছি।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষেও চেয়ারম্যান মাহফুজুল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার নিরাপদ খাদ্য আইন পাশ করেছে। এতে মানুষের নিরাপদ খাদ্য পাওয়ার আইনি বৈধতা তৈরি হয়েছে। নিরাপদ খাদ্যের সাথে ১৬ কোটি মানুষের স্বার্থ জড়িত। এ সংক্রান্ত ১২০টি আইন ও বিধিমালা রয়েছে। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের একার পক্ষে এটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। এজন্য আমরা সব মানুষের সহযোগিতায় কাজ করে যাচ্ছি। বিভিন্ন শহরে কর্মশালার আয়োজন করছি। এতে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে।