বাল্য বিয়ে রোধে জনপ্রতিনিধিদের কার্যকর ভূমিকা রাখার আহবান- ডেপুটি স্পিকার

114

ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া বাল্য বিয়ে রোধে তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টদের কার্যকর ভূমিকা রাখতে আহবান জানিয়েছেন।
আজ রাজধানীর স্পেক্ট্রা কনভেনশন সেন্টারে টেরি দেস হোমস নেদারল্যান্ডস আয়োজিত ‘নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ, প্রেক্ষিত: বাল্যবিবাহ এবং বাল্যবিবাহিত বালিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ আহবান জানান।
তিনি বলেন, বাল্যবিয়ে এখন আর আগের মতো দেখা যায় না। অনেকাংশে হ্রাস পেয়েছে। তবে এজন্য জেলা উপজেলা পর্যায়ে সচেনতা বৃদ্ধি করতে হবে। বাল্যবিয়ে রোধ বিষয়ক সভা সেমিনার জেলা উপজেলা পর্যায়ে বেশি বেশি করে করা উচিত।
প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের জেন্ডার অ্যাডভাইজর তাহমিনা হকের সভাপতিত্বে সেমিনারে বক্তব্য রাখেন, নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি ড. অ্যানি ভেসটজেনস, স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. এনায়েত হোসেন ও টেরি দেস হোমস নেদারল্যান্ডস এর কান্ট্রি ডিরেক্টর মাহমুদুল কবীর।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, অনেক সময় দেখা যায় নার্স বা স্বাস্থ্যকর্মীরা নিজেদের পোশাক পরতে চান। যে কারণেই হোক তাদের ভেতর এক ধরনের অনীহা কাজ করে- যা মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা যেখানেই যে পেশায় আছি সবার উচিত নিজস্ব পোশাক বা আইডিনটি ব্যবহার করা।
তিনি বলেন, সরকার বাল্যবিয়ে নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সর্বদা সজাগ। তিনি বাল্যবিয়ে শূণ্যের কোটায় নিয়ে আসার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। এজন্য একটি আইনও করা হচ্ছে। আশাকরছি সামনের অধিবেশনেই আইনটি পাস হবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য সেবা গ্রাম পর্যায়ে নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করেছেন। গ্রাম পর্যায়ে এখন কমিউনিটি ক্লিনিক জনপ্রিয় স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠেছে। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বিভাগে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে কিন্তু সঠিক তত্ত্বাবধানের অভাবে কিছু ঘাটতিও রয়েছে। ডাক্তারদের শহরমুখী প্রবণতা এরজন্য অনেকাংশে দায়ী। এসময় তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে মনিটরিং ব্যবস্থা আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।
নন গর্ভমেন্ট অর্গানাইজেশনের (এনজিও) কাজের স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এনজিওরা ভাল কাজ করে, মানুষের সেবা করে। তাই বলে সেবার নামে স্বচ্ছতা থাকবে না এটা কাম্য নয়। অবশ্যই এনজিওর প্রতিটি কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরী বলে মন্তব্য করেন ডেপুটি স্পিকার।