ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজ ঢাকা আসছেন

161

চীনের সাবমেরিন ক্রয়ে ভারতীয় বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ

নড়াইলকণ্ঠ ডেস্ক : ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিকর দু’দিনের সফরে ঢাকা আসছেন আজ। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পর এটাই ভারতের কোনো প্রতিরক্ষামন্ত্রীর প্রথম ঢাকা সফর। তাৎপর্যপূর্ণ ওই সফরকে ঘিরে এরই মধ্যে ঢাকা ও দিল্লির কূটনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে এ নিয়ে সিরিজ রিপোর্ট ও বিশ্লেষণ ছাপা হচ্ছে।
ভারত সরকারের দায়িত্বশীল সূত্রগুলোর বরাতে টাইমস অব ইন্ডিয়াসহ দেশটির গুরুত্বপূর্ণ মিডিয়ার খবরে বলা হয়- বাংলাদেশে চীন অব্যাহতভাবে তার রণকৌশলগত পদচিহ্ন রেখে চলার প্রেক্ষাপটে দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা উন্নত করার লক্ষ্যে ভারতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী ঢাকা সফর করছেন। গত ১৪ই নভেম্বর চীন থেকে কেনা সাবমেরিন গ্রহণ করে বাংলাদেশ। এরপর তড়িঘড়ি করে প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিকরকে ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় দিল্লি। দুই প্রতিবেশী দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক জোরদারের উদ্দেশ্যেই তার সফরটি হচ্ছে। ঐতিহাসিক ওই সফরে বাংলাদেশের সঙ্গে একটি নতুন প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ফ্রেমওয়ার্কের আওতায় সামরিক সরবরাহ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, প্রশিক্ষণ এবং যৌথ মহড়াসহ সন্ত্রাস দমনে আরো ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলাই হবে মুখ্য আলোচ্য। বাংলাদেশের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল সফরের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। ‘ভারতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রীসহ একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলের বাংলাদেশ সফর’ শীর্ষক ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শ্রী মনোহর গোপালকৃষ্ণ প্রভু পারিকরের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল ভারতীয় বিশেষ বিমানযোগে আজ (৩০শে নভেম্বর) ঢাকায় এসে পৌঁছাবেন। বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধু, কুর্মিটোলায় উক্ত প্রতিনিধি দলটিকে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ অভ্যর্থনা জানাবেন। সফরকালে ভারতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী তার প্রতিনিধি দলসহ প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে পৃথকভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
এছাড়া, তিনি তার সফরসঙ্গীগণ সহ প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক (অব.)-এর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে আলোচনা করবেন। প্রতিনিধি দলে থাকা (সফররত) ভারতীয় সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর উপ-প্রধানগণ যথাক্রমে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী প্রধান, নৌবাহিনী প্রধান ও বিমানবাহিনী প্রধানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। সাক্ষাৎকালে তারা দু’দেশের বাহিনীসমূহের মধ্যে বিদ্যমান সুসম্পর্ক ও সহযোগিতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করবেন। আইএসপিআর জানায়, ভারতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলটি ২ দিনের সফর শেষে আগামী ১লা ডিসেম্বর নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন করবেন।
এদিকে দিল্লির গণমাধ্যমে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সফর সংক্রান্ত রিপোর্ট ও বিশ্লেষণে বলা হয়- চলতি মাসে বাংলাদেশের কাছে চীন প্রথমবারের মতো সাবমেরিন হস্তান্তরের পরপরই ভারতীয় মন্ত্রীর ঢাকা সফরের সিদ্ধান্ত হয়। সেই বিবেচনায় সফরটি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। ডিজেল-বিদ্যুৎচালিত সাবমেরিন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান এডমিরাল মো. নিজাম উদ্দিন আহমেদের কাছে এ মাসেই চীনের লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ান সমুদ্রবন্দরে হস্তান্তর করা হয়। এই ঘটনাকে ঢাকা এবং বেইজিংয়ের মধ্যে ব্যাপকভিত্তিক সামরিক সম্পর্কের বড় সূচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। এছাড়া, গত মাসের মাঝামাঝি বাংলাদেশ সফর করে গেছেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। গত ত্রিশ বছরের মধ্যে কোনো চীনা প্রেসিডেন্টের এটাই প্রথম সফর। এই সময় ২৫ বিলিয়ন ডলারের ২৭টি চুক্তি হয়। টাইম অব ইন্ডিয়ার রিপোর্টে এ বিষয়ে বলা হয়- ভারত চীনের অর্থনৈতিক শক্তি কিংবা তার অভ্যন্তরীণ প্রতিরক্ষা শিল্পখাতের সামনে দাঁড়াতে পারে না। কিন্তু ভারত তা সত্ত্বেও শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, সিয়াচল এবং মরিশাস থেকে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও নেপাল পর্যন্ত তার আঙিনায় বিস্তৃত অঞ্চলে চীনের প্রভাব বিস্তারকে প্রতিহত করার চেষ্টা করছে।
ভারত ইতিমধ্যে শ্রীলঙ্কাকে আকাশ প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত অস্ত্র, রাডার এবং মাইন সুরক্ষিত ভেহিক্যাল সরবরাহ ছাড়াও ওই দ্বীপ রাষ্ট্রের জলসীমায় দুটি নেভাল অফশোর পেট্রল ভেসেলস (ওপিভি’স) নির্মাণ করছে। ওই রিপোর্টে একটি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, সূত্রটি জানিয়েছে, একইভাবে ভারত উদ্ভাবনীমূলক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার আওতায় বাংলাদেশকে ওপিভি সরবরাহ করতে পারে। এছাড়া সামগ্রিক সামর্থ্য বৃদ্ধি কর্মসূচির আওতায় ভারতীয় সামরিক বাহিনীতে বাংলাদেশি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রশিক্ষণ বাড়ানো হবে। ঢাকার টাঙ্গাইলে দুই দেশের যৌথ সামরিক মহড়ার ষষ্ঠ পর্যায় ‘সম্প্রীতি’র উল্লেখ করে রিপোর্টে বলা হয়, সন্ত্রাস দমনে প্রধান মনোযোগ রেখে এই অনুশীলনের মাধ্যমে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা আরো জোরদার করা হবে। এখন থেকে নিয়মিতভাবে দু’দেশের সামরিক বাহিনী ও বায়ুসেনাদের মধ্যে মহড়া অনুষ্ঠিত হবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বের অধীনে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নিশ্চিতভাবে পুনরায় ঊর্ধ্বমুখী গতি সঞ্চার করেছে।
ইসলামাবাদে অনুষ্ঠেয় সার্ক শীর্ষ সম্মেলন বয়কট করে নয়াদিল্লির অবস্থানকে সমর্থন করেছে ঢাকা। এছাড়া, উভয় দেশ যৌথভাবে তাদের মাটিতে সন্ত্রাসী হামলা মোকাবিলা করছে। কক্সবাজারে সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের কাজ থেকে চীনকে বাদ দেয়ার ঘটনায় ভারত স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে বলে দিল্লির ওই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয় ভারত গত তিন-চার বছর ধরেই বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে। ২০০৯ সাল থেকে বাংলাদেশ-ভারত দু’দেশের আর্মি টু আর্মি স্টাফ আলোচনা চলছে। ভারতের এ ধরনের আলোচনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন, ইসরাইল, ফ্রান্স, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং সিঙ্গাপুরের সঙ্গে রয়েছে।
চীন থেকে সাবমেরিন ক্রয়ে ভারতীয় বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ: এদিকে চীন থেকে বাংলাদেশের সাবমেরিন ক্রয়ে ভারতীয় বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ নিয়ে উষ্মাও প্রকাশ করেছেন তারা। শীর্ষস্থানীয় প্রতিরক্ষাবিষয়ক ওয়েবসাইট ডিফেন্স নিউজের সঙ্গে ভারতীয় বিশেষজ্ঞ, গবেষক, নৌ-কর্মকর্তা ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের এক সাক্ষাৎকারে এ উদ্বেগ ফুটে উঠে। এর ভিত্তিতে খবর প্রকাশ করেছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংবাদমাধ্যম স্পুটনিকও। ডিফেন্স নিউজের নিবন্ধে বলা হয়, টাইপ ০৩৫জি ডিজেল-ইলেক্ট্রিক সাবমেরিনটিতে টর্পেডো ও মাইন থাকবে। শত্রু জাহাজ ও সাবমেরিনে আঘাত হানতে সক্ষম এসব সাবমেরিন। ভারতীয় বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের কাছে চীনের সাবমেরিন দু’টির বিক্রি ভারতকে ঘিরে ফেলার চীনের কৌশলের অংশ। ভারতের নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান ও অবসরপ্রাপ্ত অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশ বলেন, ‘বাংলাদেশ তিনদিক থেকেই ভারত পরিবেষ্টিত। এ বিষয়টিও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনায়, সাবমেরিন দু’টির ক্রয় শুধু অযৌক্তিকই নয়, ভারতের দিক থেকে চিন্তা করলে এটি এক ধরনের উস্কানিও (অ্যাক্ট অব প্রভোকেশন)। সাবমেরিন একটি আক্রমণাত্মক সমরাস্ত্র। সাগর ব্যবহার করতে না দিতে এটি ব্যবহৃত হয়। এ সাবমেরিনগুলোর একমাত্র ব্যবহার হবে ভারতের প্রতি হুমকি প্রদর্শন করা এবং ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরো জটিল করে তোলা।’ অ্যাডমিরাল প্রকাশ আরো বলেন, ‘গ্রাহক দেশগুলোকে দিয়ে ভারতকে ঘিরে ফেলার একটি কৌশল রয়েছে চীনের। এই হস্তান্তরটি অবশ্যই এ কৌশলের অগ্রণী পদক্ষেপ।’ তবে ভারতভিত্তিক থিংকট্যাংক সেন্টার ফর পলিসি রিসার্চের গবেষক অধ্যাপক ভারত কার্নদ দ্বিমত পোষণ করেছেন। তার ভাষ্য, ‘না, এটি খুবই ভালো ও লাভজনক একটি চুক্তি, যা ঢাকা প্রত্যাখ্যান করতে পারেনি। কিন্তু মোদি সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে যে, এ চুক্তি থেকে যাতে বেইজিং কৌশলগত সুবিধা হাসিল করতে না পারে।’ ভারতীয় নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন ও ন্যাশনাল ম্যারিটাইম ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক গুরপ্রীত খুরানা অনেকটা একমত অ্যাডমিরাল প্রকাশের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রচলিত সামুদ্রিক সামরিক হুমকির সম্মুখীন নয়। এটি অনুধাবন করা কঠিন যে, কেন বাংলাদেশ নিজেদের নৌবাহিনীর জন্য সাবমেরিন কিনেছে। বাংলাদেশের সঙ্গে সামুদ্রিক সীমানা আছে যে দুই দেশের, অর্থাৎ মিয়ানমার ও ভারত, তাদের সঙ্গে দেশটির সামুদ্রিক সীমানা সংক্রান্ত বিরোধ ২০১২ ও ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক সালিশির মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়েছে।’
ভারতের জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের কূটনীতি ও নিরস্ত্রীকরণ বিভাগের অধ্যাপক শরণ সিং বলেন, ‘চীনের সঙ্গে চুক্তি থেকে সবসময়ই লাভবান হয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। কিন্তু সাবমেরিন হস্তান্তরের মানে হলো তাদের প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। নতুন নতুন উইপন সিস্টেমে ভরপুর আরো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ একটি অঞ্চলে পরিণত হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়া, যাতে অবদান রাখবে এ বিষয়টি।’ চলতি বছরে (২০১৬ সালের অক্টোবরে) বাংলাদেশে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সফরের সময়, বাংলাদেশ ও চীন নিজেদের মধ্যকার সম্পর্ককে ‘কম্প্রেহেনসিভ পার্টনারশিপ অব কো-অপারেশন’ থেকে ‘কৌশলগত অংশীদারিত্বে’ উন্নীত করে। ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, এ বিষয়টি ‘এখানে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।’ ডিফেন্স নিউজের নিবন্ধটিতে আরো বলা হয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বৃহৎ সমরাস্ত্র সরবরাহকারী দেশে পরিণত হয়েছে চীন। এছাড়া, সেনা কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের জন্যও দেশটি একটি গন্তব্যস্থল। বাংলাদেশ নিজেদের সামরিক বাহিনীর আধুনিকায়ন করছে। বিদেশ থেকে অস্ত্রশস্ত্র কিনছে। এক জ্যেষ্ঠ ভারতীয় সেনা কর্মকর্তা বলেন, ‘চীনা সাবমেরিনের প্রথম চালান বাংলাদেশকে ভবিষ্যতে আরো সমরাস্ত্রের জন্য চীনের ওপর নির্ভরশীল করে তুলবে।’ উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ভারতও বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক বাড়াচ্ছে উল্লেখ করে সেখানে বলা হয়, সহজ আর্থিক প্যাকেজের আওতায় বাংলাদেশকে অফশোর পেট্রোল ভেহিকল সরবরাহে মনোযোগী ভারত।
ভারতের অন্যতম শীর্ষ থিংকট্যাংক অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের জ্যেষ্ঠ ফেলো প্রবাল ঘোষ বলেন, ‘বাংলাদেশ আমাদের প্রতিবেশী। দেশটির কৌশলগত গুরুত্ব কোনোভাবেই অস্বীকার করা যায় না। বাংলাদেশের সাবমেরিন কেনার মতো ঘটনাগুলো দু’দেশের মধ্যে অবিশ্বাস ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করে। এই ব্যবধান কমাতে ও বাংলাদেশ যাতে বারবার চায়না কার্ড খেলতে না পারে সেজন্য অবশ্যই পদক্ষেপ নিতে হবে।’